প্রেসক্রিপশনে ডাক্তাররা বিভিন্ন রকমের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করেন, যা ওষুধের ডোজ, সময় এবং প্রয়োগের পদ্ধতি বোঝাতে সাহায্য করে। নিচে কিছু সাধারণ সংক্ষিপ্ত রূপ এবং তাদের বিস্তারিত অর্থ দেওয়া হলো:

সময়ের সাথে সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত রূপ:

  • BD (Bis in die): দিনে দুবার (twice a day)। যেমন: BD মানে সকালে একবার এবং সন্ধ্যায় একবার।
  • TDS (Ter die sumendus): দিনে তিনবার (thrice a day)। যেমন: TDS মানে সকালে, দুপুরে এবং রাতে।
  • QDS (Quater die sumendus): দিনে চারবার (four times a day)।
  • OD (Omni die): দিনে একবার (once a day)।
  • SOS (Si opus sit): প্রয়োজনে (if necessary)। অর্থাৎ, যখন প্রয়োজন হবে তখনই ওষুধটি নিতে হবে, নিয়মিতভাবে নয়।
  • STAT (Statim): অবিলম্বে (immediately)। জরুরি অবস্থার জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • AC (Ante cibum): খাবারের আগে (before meals)।
  • PC (Post cibum): খাবারের পরে (after meals)।
  • HS (Hora somni): ঘুমানোর সময় বা শোবার আগে (at bedtime)।
  • Q_H (Quaque … hora): প্রতি … ঘন্টা পর পর (every … hours)। যেমন: Q4H মানে প্রতি ৪ ঘন্টা পর পর।
  • PRN (Pro re nata): প্রয়োজনে (as needed)। SOS-এর মতোই, কিন্তু একটু বেশি ঘন ঘন ব্যবহারের অনুমতি দেয়।
  • NOCTE (Nocte): রাতে (at night)।
  • MANE (Mane): সকালে (in the morning)।

প্রয়োগের পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত রূপ:

  • PO (Per os): মুখ দিয়ে সেবন (by mouth)। অর্থাৎ, ট্যাবলেট, ক্যাপসুল বা সিরাপ যা মুখ দিয়ে খেতে হয়।
  • IV (Intravenous): শিরায় (into a vein)। অর্থাৎ, ইনজেকশন যা সরাসরি শিরায় দেওয়া হয়।
  • IM (Intramuscular): মাংসপেশীতে (into a muscle)। অর্থাৎ, ইনজেকশন যা মাংসপেশীতে দেওয়া হয়।
  • SC/SQ (Subcutaneous): চামড়ার নিচে (under the skin)। অর্থাৎ, ইনজেকশন যা চামড়ার নিচে দেওয়া হয়।
  • TOP (Topical): বাহ্যিকভাবে প্রয়োগ (topical application)। যেমন: মলম বা ক্রিম যা ত্বকে লাগানো হয়।
  • SL (Sublingual): জিভের নিচে (under the tongue)। কিছু ট্যাবলেট জিভের নিচে রাখা হয় দ্রুত শোষণের জন্য।
  • PR (Per rectum): মলদ্বার দিয়ে (by rectum)। যেমন: সাপোজিটরি।
  • PV (Per vagina): যোনি দিয়ে (by vagina)। যেমন: ভ্যাজাইনাল সাপোজিটরি বা ক্রিম।
  • NEB (Nebulizer): নেবুলাইজার দিয়ে (by nebulizer)। শ্বাসকষ্টের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • GTTS (Guttae): ফোঁটা (drops)। সাধারণত চোখ বা কানের ড্রপের জন্য ব্যবহৃত হয়।

প্রয়োগের ফ্রিকোয়েন্সি বা সময়ের সাথে সম্পর্কিত কিছু ভিন্ন রূপ:

  • QWK (Every week): প্রতি সপ্তাহে।
  • QAM (Every morning): প্রতিদিন সকালে।
  • QPM (Every evening): প্রতিদিন সন্ধ্যায়।
  • BIW (Twice a week): সপ্তাহে দুবার।
  • TIW (Three times a week): সপ্তাহে তিনবার।

রোগ নির্ণয় ও অবস্থা সম্পর্কিত:

  • CAD (Coronary Artery Disease): করোনারি আর্টারি ডিজিজ (হৃদরোগ)।
  • CKD (Chronic Kidney Disease): ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ)।
  • ESRD (End-Stage Renal Disease): এন্ড-স্টেজ রেনাল ডিজিজ (কিডনি বিকল)।
  • GERD (Gastroesophageal Reflux Disease): গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (বুক জ্বালাপোড়া)।
  • IBS (Irritable Bowel Syndrome): ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (পেটের সমস্যা)।
  • UTI (Urinary Tract Infection): ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (মূত্রনালীর সংক্রমণ)।
  • STD (Sexually Transmitted Disease): সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ (যৌনবাহিত রোগ)।
  • TB (Tuberculosis): টিউবারকুলোসিস (যক্ষ্মা)।
  • CA (Cancer): ক্যান্সার।
  • CVA (Cerebrovascular Accident): সেরিব্রোভাসকুলার অ্যাকসিডেন্ট (স্ট্রোক)।
  • TIA (Transient Ischemic Attack): ট্রানজিয়েন্ট ইশকেমিক অ্যাটাক (মিনি-স্ট্রোক)।
  • ADHD (Attention-Deficit/Hyperactivity Disorder): অ্যাটেনশন-ডেফিসিট/হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার।
  • BPH (Benign Prostatic Hyperplasia): বিনাইন প্রোস্ট্যাটিক হাইপারপ্লাজিয়া (প্রোস্টেট গ্রন্থির বৃদ্ধি)।
  • OA (Osteoarthritis): অস্টিওআর্থ্রাইটিস (হাঁটুর জয়েন্টে ব্যথা)।
  • RA (Rheumatoid Arthritis): রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (বাত)।

পরীক্ষা ও পদ্ধতি সম্পর্কিত:

  • CXR (Chest X-Ray): চেস্ট এক্স-রে (বুকের এক্স-রে)।
  • MRI (Magnetic Resonance Imaging): ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং।
  • CT/CAT (Computed Tomography): কম্পিউটারাইজড টোমোগ্রাফি (সিটি স্ক্যান)।
  • ECG/EKG (Electrocardiogram): ইলেক্ট্রকার্ডিওগ্রাম (হৃদপিণ্ডের পরীক্ষা)।
  • EEG (Electroencephalogram): ইলেকট্রোএনসেফালোগ্রাম (মস্তিষ্কের পরীক্ষা)।
  • US (Ultrasound): আল্ট্রাসাউন্ড।
  • CBC (Complete Blood Count): কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (রক্তের সম্পূর্ণ গণনা)।
  • LFT (Liver Function Tests): লিভার ফাংশন টেস্ট।
  • KFT (Kidney Function Tests): কিডনি ফাংশন টেস্ট।
  • FBS (Fasting Blood Sugar): ফাস্টিং ব্লাড সুগার (খালি পেটে রক্তের শর্করা পরীক্ষা)।
  • PPBS (Post-Prandial Blood Sugar): পোস্ট-প্র্যান্ডিয়াল ব্লাড সুগার (খাবারের পর রক্তের শর্করা পরীক্ষা)।
  • HbA1c (Glycated Hemoglobin): গ্লাইকেটেড হিমোগ্লোবিন (ডায়াবেটিসের ৩ মাসের গড়)।
  • Biopsy: বায়োপসি (টিস্যু পরীক্ষা)।
  • U/S (Urinalysis): ইউরিন অ্যানালাইসিস (মূত্র পরীক্ষা)।
  • X-RAY (X-radiation): এক্স-রে।

শারীরিক অংশ বা সিস্টেম সম্পর্কিত:

  • CNS (Central Nervous System): সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম (কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র)।
  • PNS (Peripheral Nervous System): পেরিফেরাল নার্ভাস সিস্টেম (প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র)।
  • GI (Gastrointestinal): গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল (পাচনতন্ত্র)।
  • GU (Genitourinary): জেনিটোরিনারি (মূত্র ও প্রজননতন্ত্র)।
  • ENT (Ear, Nose, Throat): কান, নাক, গলা।
  • MSK (Musculoskeletal): মাসকুলোস্কেলেটাল (পেশী ও কঙ্কালতন্ত্র)।

সাধারণ চিকিৎসা ও প্রশাসনিক:

  • DOB (Date of Birth): জন্ম তারিখ।
  • MRN (Medical Record Number): মেডিকেল রেকর্ড নম্বর।
  • D/C (Discharge or Discontinue): ডিসচার্জ (হাসপাতাল থেকে ছুটি) অথবা ডিসকন্টিনিউ (বন্ধ করা)।
  • Pt (Patient): রোগী।
  • Dx (Diagnosis): রোগ নির্ণয়।
  • Tx (Treatment): চিকিৎসা।
  • Px (Prognosis): পূর্বাভাস।
  • Hx (History): ইতিহাস।
  • Sx (Symptoms): উপসর্গ।
  • Fx (Fracture): ফ্র্যাকচার (হাড় ভাঙ্গা)।
  • OPD (Outpatient Department): আউটপেশেন্ট ডিপার্টমেন্ট (বহির্বিভাগ)।
  • IPD (Inpatient Department): ইনপেশেন্ট ডিপার্টমেন্ট (অন্তর্বিভাগ)।
  • ER/ED (Emergency Room/Department): ইমারজেন্সি রুম/ডিপার্টমেন্ট (জরুরি বিভাগ)।
  • ICU (Intensive Care Unit): ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র)।
  • OT (Operation Theatre): অপারেশন থিয়েটার।
  • PICU (Pediatric Intensive Care Unit): পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (শিশুদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র)।
  • NICU (Neonatal Intensive Care Unit): নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (নবজাতকদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র)।
  • সাধারণ চিকিৎসা ও প্রশাসনিক:
  • DOB (Date of Birth): জন্ম তারিখ।
  • MRN (Medical Record Number): মেডিকেল রেকর্ড নম্বর।
  • D/C (Discharge or Discontinue): ডিসচার্জ (হাসপাতাল থেকে ছুটি) অথবা ডিসকন্টিনিউ (বন্ধ করা)।
  • Pt (Patient): রোগী।
  • Dx (Diagnosis): রোগ নির্ণয়।
  • Tx (Treatment): চিকিৎসা।
  • Px (Prognosis): পূর্বাভাস।
  • Hx (History): ইতিহাস।
  • Sx (Symptoms): উপসর্গ।
  • Fx (Fracture): ফ্র্যাকচার (হাড় ভাঙ্গা)।
  • OPD (Outpatient Department): আউটপেশেন্ট ডিপার্টমেন্ট (বহির্বিভাগ)।
  • IPD (Inpatient Department): ইনপেশেন্ট ডিপার্টমেন্ট (অন্তর্বিভাগ)।
  • ER/ED (Emergency Room/Department): ইমারজেন্সি রুম/ডিপার্টমেন্ট (জরুরি বিভাগ)।
  • ICU (Intensive Care Unit): ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র)।
  • OT (Operation Theatre): অপারেশন থিয়েটার।
  • PICU (Pediatric Intensive Care Unit): পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (শিশুদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র)।
  • NICU (Neonatal Intensive Care Unit): নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (নবজাতকদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র)।

ওষুধের প্রকার বা ফর্মুলেশন সম্পর্কিত:

  • SOL (Solution): সলিউশন বা দ্রবণ।
  • SUSP (Suspension): সাসপেনশন।
  • EMULS (Emulsion): ইমালসন।
  • CR (Cream): ক্রিম।
  • OINT (Ointment): মলম।
  • LOT (Lotion): লোশন।
  • SUPP (Suppository): সাপোজিটরি।
  • INH (Inhaler): ইনহেলার।
  • SR (Sustained Release): সাসটেইনড রিলিজ (দীর্ঘক্ষণ ধরে ওষুধ ধীরে ধীরে নির্গত হয়)।
  • ER (Extended Release): এক্সটেন্ডেড রিলিজ (SR এর মতোই)।
  • XR (Extended Release): এক্সটেন্ডেড রিলিজ।
  • CD (Controlled Dose/Controlled Delivery): নিয়ন্ত্রিত ডোজ/নিয়ন্ত্রিত ডেলিভারি।
  • DS (Double Strength): ডাবল স্ট্রেন্থ (দ্বিগুণ ক্ষমতা)।

ডোজ সম্পর্কিত কিছু অতিরিক্ত তথ্য:

  • MAX (Maximum): সর্বোচ্চ।
  • MIN (Minimum): সর্বনিম্ন।
  • QD (Quaque die): প্রতিদিন। (OD এর অনুরূপ, তবে QD প্রায়শই ল্যাটিন হিসেবে আরও নির্ভুল)।
  • QOD (Quaque altera die): একদিন পরপর (every other day)।
  • PRN (Pro Re Nata): প্রয়োজন অনুসারে (as needed)।
  • DC (Discontinue): বন্ধ করুন।
  • ASA (Aspirin): অ্যাসপিরিন।
  • APAP (Acetaminophen): অ্যাসিটামিনোফেন (প্যারাসিটামলের অন্য নাম)।

শারীরিক পরীক্ষা এবং ফলাফল সম্পর্কিত:

  • ROM (Range of Motion): রেঞ্জ অফ মোশন (শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নড়াচড়ার ক্ষমতা)।
  • PERRLA (Pupils Equal, Round, Reactive to Light and Accommodation): পিউপিলস ইকুয়াল, রাউন্ড, রিঅ্যাকটিভ টু লাইট অ্যান্ড অ্যাকোমোডেশন (চোখের পুতলি পরীক্ষার ফলাফল)।
  • VS (Vital Signs): ভাইটাল সাইন (গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক চিহ্ন)।
  • LOC (Level of Consciousness): লেভেল অফ কনশাসনেস (সচেতনতার স্তর)।
  • GCS (Glasgow Coma Scale): গ্লাসগো কোমা স্কেল (আঘাতপ্রাপ্ত রোগীর সচেতনতার স্তর পরিমাপ)।
  • A&Ox3 (Alert and Oriented to Person, Place, and Time): অ্যালার্ট অ্যান্ড ওরিয়েন্টেড টু পারসন, প্লেস, অ্যান্ড টাইম (ব্যক্তি, স্থান এবং সময় সম্পর্কে সচেতন)।
  • NAD (No Apparent Distress): নো অ্যাপারেন্ট ডিসট্রেস (কোনো আপাত কষ্ট নেই)।
  • FROM (Full Range of Motion): ফুল রেঞ্জ অফ মোশন।

বহুল ব্যবহৃত মেডিকেল টার্ম এবং সেগুলোর সহজ ভাষায় সংজ্ঞা দেওয়া হলো

১. জ্বর (Fever): শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যাওয়া। এটি সাধারণত কোনো সংক্রমণ বা প্রদাহের লক্ষণ।
২. উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure/Hypertension): ধমনীর ভেতরের চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকা। এটি হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।
৩. ডায়াবেটিস (Diabetes Mellitus): রক্তে শর্করার (গ্লুকোজ) মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেশি থাকা। এটি ইনসুলিনের উৎপাদন বা ব্যবহারে সমস্যার কারণে হয়।
৪. হাঁপানি (Asthma): শ্বাসতন্ত্রের একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ যেখানে শ্বাসনালী সংকুচিত হয়ে যায়, ফলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং কাশি ও শ্বাসকষ্ট হয়।
৫. প্রদাহ (Inflammation): শরীরের কোনো অংশে আঘাত, সংক্রমণ বা জ্বালাতনের ফলে সৃষ্ট ফোলা, লালচে ভাব, ব্যথা ও গরম অনুভূত হওয়া।
৬. সংক্রমণ (Infection): জীবাণু (যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক) দ্বারা শরীরে আক্রমণ এবং রোগ সৃষ্টি করা।
৭. রক্তশূন্যতা (Anemia): রক্তে লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকা, যার ফলে শরীরের টিস্যুগুলোতে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়।
৮. ক্যান্সার (Cancer): শরীরের কোষগুলোর অনিয়ন্ত্রিত ও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি যা কাছাকাছি টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়তে পারে বা শরীরের অন্যান্য অংশে (মেটাস্ট্যাসিস) যেতে পারে।
৯. বাত (Arthritis): অস্থিসন্ধি বা জয়েন্টের প্রদাহ, যার ফলে ব্যথা, ফোলা এবং নড়াচড়া করতে অসুবিধা হয়।
১০. রোগ নির্ণয় (Diagnosis): রোগীর লক্ষণ, শারীরিক পরীক্ষা, এবং অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে রোগ কী তা চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া।
১১. লক্ষণ (Symptom): রোগের ফলে রোগীর শরীরে বা মনে যে অস্বাভাবিকতা দেখা যায় বা অনুভূত হয় (যেমন ব্যথা, জ্বর, ক্লান্তি)।
১২. দীর্ঘস্থায়ী (Chronic): যে রোগ বা শারীরিক অবস্থা অনেক দিন ধরে থাকে বা ধীরে ধীরে বিকশিত হয়।
১৩. তীব্র (Acute): যে রোগ বা শারীরিক অবস্থা হঠাৎ করে শুরু হয় এবং সাধারণত অল্প সময়ের জন্য থাকে।
১৪. অস্ত্রোপচার (Surgery): রোগ নিরাময়, আঘাত সারানো, বা শারীরিক সমস্যা সমাধানের জন্য শরীরের ভেতরে বা বাইরে করা এক ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি।
১৫. বায়োপসি (Biopsy): পরীক্ষার জন্য শরীরের কোনো সন্দেহজনক অংশ থেকে টিস্যুর ছোট নমুনা সংগ্রহ করা।
১৬. টিকা (Vaccination/Immunization): রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলার জন্য শরীরে নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল জীবাণু বা তার অংশ প্রবেশ করানো।
১৭. অ্যালার্জি (Allergy): পরিবেশের কোনো নির্দিষ্ট জিনিসের (যেমন পরাগ রেণু, ধুলো, নির্দিষ্ট খাবার) প্রতি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।
১৮. ইমিউনিটি (Immunity): রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা।
১৯. এক্স-রে (X-ray): শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, বিশেষ করে হাড়ের ছবি তোলার জন্য ব্যবহৃত এক ধরনের বিকিরণ প্রযুক্তি।
২০. এমআরআই (MRI – Magnetic Resonance Imaging): শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও টিস্যুর বিস্তারিত ছবি তোলার পদ্ধতি।
২১. সিটি স্ক্যান (CT Scan – Computed Tomography Scan): এক্স-রের একটি উন্নত রূপ যা শরীরের ভেতরের বিভিন্ন অংশের প্রস্থচ্ছেদের বিস্তারিত চিত্র তৈরি করে।
২২. ফার্মেসি (Pharmacy): যেখানে ওষুধ প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও বিতরণ করা হয়; অথবা এই সংক্রান্ত বিজ্ঞান।
২৩. এনেস্থেশিয়া (Anesthesia): ব্যথা উপলব্ধি সাময়িকভাবে বন্ধ করার জন্য ব্যবহৃত ওষুধ বা পদ্ধতি, যা সাধারণত অস্ত্রোপচারের সময় ব্যবহার করা হয়।
২৪. বমি ভাব (Nausea): পেটে অস্বস্তি এবং বমি করার প্রবল ইচ্ছা।
২৫. পুনর্বাসন (Rehabilitation): কোনো রোগ বা আঘাতের পর স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরে পাওয়ার জন্য গৃহীত চিকিৎসা ও প্রশিক্ষণের সমন্বিত প্রক্রিয়া।

২৬. পালস বা নাড়ি (Pulse): হৃদস্পন্দনের ফলে ধমনীর মাধ্যমে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার সময় হাতের কবজি, গলা বা অন্য কোনো স্থানের ধমনীতে যে স্পন্দন অনুভূত হয়।
২৭. শ্বসন বা শ্বাসপ্রশ্বাস (Respiration): বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করার প্রক্রিয়া।
২৮. হৃত্স্পন্দন বা হার্ট রেট (Heart Rate): প্রতি মিনিটে যতবার হৃদপিণ্ড স্পন্দিত হয় তার সংখ্যা।
২৯. ব্লাড প্রেসার বা রক্তচাপ (Blood Pressure): হৃদপিণ্ডের পাম্প করার ফলে রক্তনালীর (ধমনী) দেওয়ালে যে চাপ সৃষ্টি হয়। এটি সিস্টোলিক (উচ্চ) এবং ডায়াস্টোলিক (নিম্ন) দুটি সংখ্যায় প্রকাশ করা হয়।
৩০. কোলেস্টেরল (Cholesterol): রক্তে পাওয়া একটি চর্বি জাতীয় পদার্থ যা শরীরের কোষ তৈরি এবং অন্যান্য কাজের জন্য প্রয়োজন, তবে অতিরিক্ত হলে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
৩১. ট্রাইগ্লিসারাইড (Triglycerides): রক্তে থাকা এক ধরণের চর্বি। উচ্চ মাত্রা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
৩২. এনজাইনা (Angina): হৃদপিণ্ডের পেশীতে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ না হওয়ার কারণে বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হওয়া।
৩৩. মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (Myocardial Infarction / Heart Attack): হৃদপিণ্ডের কোনো অংশে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়ে পেশীর ক্ষতি হওয়া।
৩৪. স্ট্রোক (Stroke): মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়া বা রক্তপাত ঘটার কারণে মস্তিষ্কের কোষের ক্ষতি হওয়া।
৩৫. অস্টিওপোরোসিস (Osteoporosis): হাড় পাতলা ও ভঙ্গুর হয়ে যাওয়ার একটি রোগ, যার ফলে সহজে হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
৩৬. প্যারালিসিস বা পক্ষাঘাত (Paralysis): শরীরের এক বা একাধিক অংশের মাংসপেশীর কার্যক্ষমতা হারানো।
৩৭. এপিলেপসি বা মৃগীরোগ (Epilepsy): মস্তিষ্কের কার্যকলাপের অস্বাভাবিকতার কারণে বারবার খিঁচুনি হওয়া।
৩৮. আলঝেইমার রোগ (Alzheimer’s Disease): মস্তিষ্কের একটি প্রগতিশীল রোগ যা স্মৃতিশক্তি, চিন্তা ও আচরণকে প্রভাবিত করে।
৩৯. পারকিনসন রোগ (Parkinson’s Disease): মস্তিষ্কের একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ যা প্রধানত নড়াচড়া, ভারসাম্য এবং সমন্বয়কে প্রভাবিত করে।
৪০. মাইগ্রেন (Migraine): এক ধরণের তীব্র মাথাব্যথা যা প্রায়শই মাথার একপাশে হয় এবং বমি ভাব বা আলো ও শব্দের প্রতি সংবেদনশীলতা থাকতে পারে।
৪১. ভার্টিগো (Vertigo): নিজের চারপাশ ঘুরছে এমন অনুভূতি হওয়া (মাথা ঘোরা)।
৪২. ডিসপেপসিয়া বা বদহজম (Dyspepsia / Indigestion): পেটের উপরিভাগে অস্বস্তি, ব্যথা, ফোলা বা জ্বালা পোড়ার অনুভূতি।
৪৩. গ্যাস্ট্রাইটিস (Gastritis): পাকস্থলীর ভেতরের আস্তরণে প্রদাহ।
৪৪. আলসার (Ulcer): শরীরের ভেতরের বা বাইরের কোনো স্থানের টিস্যু ক্ষয় হয়ে ক্ষত তৈরি হওয়া, যেমন পাকস্থলী বা ত্বকের আলসার।
৪৫. কোষ্ঠকাঠিন্য (Constipation): মলত্যাগে অসুবিধা বা মলের কঠিন হওয়া।
৪৬. ডায়রিয়া (Diarrhea): ঘন ঘন নরম বা তরল মলত্যাগ।
৪৭. জন্ডিস (Jaundice): রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে ত্বক ও চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়া। এটি সাধারণত লিভার বা পিত্তনালীর সমস্যার লক্ষণ।
৪৮. হেপাটাইটিস (Hepatitis): লিভার বা যকৃতের প্রদাহ, যা সাধারণত ভাইরাস বা অন্যান্য কারণে হয়।
৪৯. কিডনি ফেইলিউর (Kidney Failure / Renal Failure): কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া বা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যাওয়া।
৫০. ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (UTI – Urinary Tract Infection): মূত্রনালীর যেকোনো অংশে সংক্রমণ।
৫১. অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া (Allergic Reaction): কোনো অ্যালার্জেন (যেমন খাদ্য, পরাগ) এর প্রতি শরীরের অতি সংবেদনশীলতা।
৫২. অ্যানাফাইল্যাক্সিস (Anaphylaxis): একটি গুরুতর এবং সম্ভাব্য জীবনঘাতী অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া যা হঠাৎ শুরু হয়।
৫৩. ডার্মাটাইটিস (Dermatitis): ত্বকের প্রদাহ।
৫৪. একজিমা (Eczema): ত্বকের একটি দীর্ঘস্থায়ী অবস্থা যেখানে ত্বক চুলকায়, লাল হয় এবং শুষ্ক হয়ে যায়।
৫৫. সোরিয়াসিস (Psoriasis): ত্বকের একটি দীর্ঘস্থায়ী অটোইমিউন রোগ যেখানে ত্বকের কোষ দ্রুত বৃদ্ধি পায়, ফলে পুরু, লাল এবং আঁশযুক্ত প্যাচ তৈরি হয়।
৫৬. পিগমেন্টেশন (Pigmentation): ত্বক বা অন্যান্য টিস্যুতে রঙের উপস্থিতি বা তার পরিবর্তন।
৫৭. এডীমা বা শোথ (Edema): শরীরের টিস্যুতে অতিরিক্ত তরল জমা হওয়ার কারণে ফুলে যাওয়া।
৫৮. সিস্ট (Cyst): শরীরের ভেতরে বা বাইরে তৈরি হওয়া একটি থলি যার ভেতর তরল বা অর্ধ-কঠিন পদার্থ থাকতে পারে।
৫৯. টিউমার (Tumor): শরীরের কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বা জমা হওয়া। এটি ক্যান্সারবিহীন (Benign) বা ক্যান্সারযুক্ত (Malignant) হতে পারে।
৬০. বেনাইন (Benign): ক্যান্সারবিহীন; যা শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়ায় না এবং সাধারণত জীবনঘাতী নয়।
৬১. ম্যালিগন্যান্ট (Malignant): ক্যান্সারযুক্ত; যা শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে (মেটাস্ট্যাসিস) এবং জীবনঘাতী হতে পারে।

৬২. মেটাস্ট্যাসিস (Metastasis): ক্যান্সারের শরীরের এক অংশ থেকে অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়া।
৬৩. কেমোথেরাপি (Chemotherapy): ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার জন্য ওষুধ ব্যবহার করে চিকিৎসা।
৬৪. রেডিয়েশন থেরাপি (Radiation Therapy): ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার জন্য উচ্চ শক্তির বিকিরণ ব্যবহার করে চিকিৎসা।
৬৫. প্রোস্টেট (Prostate): পুরুষদের মূত্রাশয়ের নিচে অবস্থিত একটি গ্রন্থি।
৬৬. মেনোপজ (Menopause): মহিলাদের মাসিক চক্র স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া।
৬৭. গর্ভাবস্থা বা প্রেগন্যান্সি (Pregnancy): মহিলাদের জরায়ুতে ভ্রূণের বিকাশ ঘটা।
৬৮. সি-সেকশন বা সিজারিয়ান সেকশন (C-section / Cesarean Section): অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মায়ের পেট ও জরায়ু কেটে বাচ্চা প্রসব করানো।
৬৯. ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতা (Depression): মন খারাপ, আগ্রহ কমে যাওয়া, ক্লান্তি এবং অন্যান্য লক্ষণসহ একটি মানসিক স্বাস্থ্য ব্যাধি যা দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করে।
৭০. অ্যাংজাইটি বা উদ্বেগ (Anxiety): ভয়, স্নায়বিক চাপ বা দুশ্চিন্তার অতিরিক্ত এবং দীর্ঘস্থায়ী অনুভূতি।
৭১. সিজোফ্রেনিয়া (Schizophrenia): একটি গুরুতর মানসিক ব্যাধি যা মানুষের চিন্তা, অনুভূতি এবং আচরণকে প্রভাবিত করে, প্রায়শই বাস্তবতার বিকৃত উপলব্ধির সৃষ্টি করে।
৭২. বাইপোলার ডিসঅর্ডার (Bipolar Disorder): একটি মানসিক ব্যাধি যা তীব্র মেজাজের ওঠানামার কারণ হয়, যেখানে চরম উচ্চ (ম্যানিয়া) এবং চরম নিম্ন (বিষণ্ণতা) পর্যায় থাকে।
৭৩. ইনসোমনিয়া বা অনিদ্রা (Insomnia): ঘুমিয়ে পড়তে বা ঘুম ধরে রাখতে অসুবিধা হওয়া।
৭৪. স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea): ঘুমের সময় শ্বাসপ্রশ্বাস বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার একটি অবস্থা।
৭৫. অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট (Anesthesiologist): অস্ত্রোপচার বা অন্যান্য পদ্ধতির সময় রোগীকে অজ্ঞান করা বা ব্যথামুক্ত রাখার দায়িত্বে থাকা ডাক্তার।
৭৬. কার্ডিওলজিস্ট (Cardiologist): হৃদপিণ্ড এবং রক্তনালীর রোগ বিশেষজ্ঞ।
৭৭. ডার্মাটোলজিস্ট (Dermatologist): ত্বক, চুল এবং নখের রোগ বিশেষজ্ঞ।
৭৮. এন্ডোক্রিনোলজিস্ট (Endocrinologist): হরমোন এবং অন্তঃস্রাবী গ্রন্থির রোগ বিশেষজ্ঞ (যেমন ডায়াবেটিস, থাইরয়েড সমস্যা)।
৭৯. গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট (Gastroenterologist): পরিপাকতন্ত্রের রোগ বিশেষজ্ঞ (যেমন পেট, অন্ত্র, লিভার, অগ্ন্যাশয়)।
৮০. হেমাটোলজিস্ট (Hematologist): রক্ত এবং রক্তের রোগ বিশেষজ্ঞ।
৮১. নেফ্রোলজিস্ট (Nephrologist): কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ।
৮২. নিউরোলজিস্ট (Neurologist): মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড এবং স্নায়ুতন্ত্রের রোগ বিশেষজ্ঞ।
৮৩. অনকোলজিস্ট (Oncologist): ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ।
৮৪. অর্থোপেডিক সার্জন (Orthopedic Surgeon): হাড়, জয়েন্ট, লিগামেন্ট এবং পেশীর সমস্যায় অস্ত্রোপচার বিশেষজ্ঞ।
৮৫. পেডিয়াট্রিশিয়ান (Pediatrician): শিশু বিশেষজ্ঞ।
৮৬. সাইকিয়াট্রিস্ট (Psychiatrist): মানসিক স্বাস্থ্য রোগের চিকিৎসা করেন এমন ডাক্তার, যিনি ওষুধ প্রেসক্রাইব করতে পারেন।
৮৭. রেডিওলজিস্ট (Radiologist): এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই ইত্যাদির মতো ইমেজিং পরীক্ষা ব্যাখ্যা করেন এমন বিশেষজ্ঞ।
৮৮. ইউরোলজিস্ট (Urologist): মূত্রনালী এবং পুরুষ প্রজননতন্ত্রের রোগ বিশেষজ্ঞ।
৮৯. আইসোলেশন (Isolation): সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের জন্য রোগীকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখা।
৯০. কোয়ারেন্টাইন (Quarantine): সংক্রামক রোগের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখা রোগ ছড়ানো প্রতিরোধ করার জন্য।

৯১. ভাইটাল সাইনস (Vital Signs): শরীরের মৌলিক কার্যাবলী পরিমাপ, যেমন শরীরের তাপমাত্রা, পালস, রক্তচাপ এবং শ্বাসপ্রশ্বাস।
৯২. প্রগনোসিস (Prognosis): রোগের সম্ভাব্য ফলাফল বা রোগীর আরোগ্যের সম্ভাবনা সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী।
৯৩. বায়োকেমিক্যাল পরীক্ষা (Biochemical Test): রক্ত, প্রস্রাব বা অন্যান্য শারীরিক তরলে রাসায়নিক উপাদানের মাত্রা পরিমাপ করার পরীক্ষা।
৯৪. হেমাটোলজি পরীক্ষা (Hematology Test): রক্ত কণিকা (লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা, প্লেটলেট) সম্পর্কিত পরীক্ষা।
৯৫. মাইক্রোবায়োলজি (Microbiology): জীবাণু (ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ইত্যাদি) নিয়ে গবেষণা।
৯৬. প্যাথলজি (Pathology): রোগের কারণ, প্রক্রিয়া এবং প্রভাব নিয়ে গবেষণা।
৯৭. ফার্মাকোলজি (Pharmacology): ওষুধ এবং জীবদেহে তাদের প্রভাব নিয়ে গবেষণা।
৯৮. এপিডেমিওলজি (Epidemiology): জনসংখ্যার মধ্যে রোগের কারণ, বিস্তার এবং নিয়ন্ত্রণের গবেষণা।
৯৯. ক্লিনিকাল ট্রায়াল (Clinical Trial): নতুন ওষুধ বা চিকিৎসার কার্যকারিতা এবং নিরাপত্তা মূল্যায়নের জন্য মানুষের উপর গবেষণা।
১০০. প্লাসিবো (Placebo): একটি নিষ্ক্রিয় পদার্থ (যেমন চিনির বড়ি) যা দেখতে আসল ওষুধের মতো কিন্তু এর কোনো ভেষজ কার্যকারিতা নেই, যা গবেষণায় নিয়ন্ত্রণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
১০১. ডোজ (Dose): একটি নির্দিষ্ট সময়ে ওষুধের নির্দিষ্ট পরিমাণ যা রোগীকে দেওয়া হয়।
১০২. সাইড ইফেক্ট বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effect): ওষুধের চিকিৎসার বাইরে শরীরের উপর যে অবাঞ্ছিত প্রভাব পড়ে।
১০৩. অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotic): ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ নিরাময়ের জন্য ব্যবহৃত ওষুধ।
১০৪. অ্যান্টিভাইরাল (Antiviral): ভাইরাস সংক্রমণ নিরাময়ের জন্য ব্যবহৃত ওষুধ।
১০৫. অ্যান্টিফাঙ্গাল (Antifungal): ছত্রাক সংক্রমণ নিরাময়ের জন্য ব্যবহৃত ওষুধ।
১০৬. অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি (Anti-inflammatory): প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত ওষুধ।
১০৭. অ্যানালজেসিক (Analgesic): ব্যথা কমাতে ব্যবহৃত ওষুধ (ব্যথানাশক)।
১০৮. অ্যান্টাসিড (Antacid): পেটের অতিরিক্ত অ্যাসিড কমাতে এবং বুক জ্বালা উপশম করতে ব্যবহৃত ওষুধ।
১০৯. ডায়ুরেটিক (Diuretic): শরীর থেকে অতিরিক্ত তরল অপসারণ করতে ব্যবহৃত ওষুধ, যা মূত্রত্যাগ বাড়ায়।
১১০. ল্যাক্সেটিভ (Laxative): কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ব্যবহৃত ওষুধ, যা মলত্যাগে সাহায্য করে।
১১১. সেডেটিভ (Sedative): শান্ত করার জন্য বা ঘুমের ভাব আনার জন্য ব্যবহৃত ওষুধ।
১১২. স্টেরয়েড (Steroid): শরীরের হরমোনের মতো কাজ করে এমন এক ধরণের ওষুধ, যা প্রদাহ কমানো বা অন্যান্য চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
১১৩. হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি (Hormone Replacement Therapy – HRT): শরীরে হরমোনের অভাব পূরণ করার জন্য হরমোন ব্যবহার করে চিকিৎসা।
১১৪. ফিজিক্যাল থেরাপি বা ফিজিওথেরাপি (Physical Therapy / Physiotherapy): শারীরিক আঘাত বা রোগ থেকে পুনরুদ্ধার বা কার্যকারিতা উন্নত করার জন্য ব্যায়াম এবং শারীরিক কৌশল ব্যবহার করে চিকিৎসা।
১১৫. অকুপেশনাল থেরাপি (Occupational Therapy): দৈনন্দিন কাজ (যেমন পোশাক পরা, খাওয়া) করার ক্ষমতা পুনরুদ্ধারে সাহায্য করার জন্য থেরাপি।
১১৬. স্পিচ থেরাপি (Speech Therapy): কথা বলা, ভাষা বোঝা বা গিলে ফেলার সমস্যা সমাধানের জন্য থেরাপি।
১১৭. ডায়েটিশিয়ান বা পুষ্টিবিদ (Dietitian): খাদ্য এবং পুষ্টি সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদান করেন এমন বিশেষজ্ঞ।
১১৮. আইসিইউ (ICU – Intensive Care Unit): গুরুতর অসুস্থ রোগীদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার বিশেষ বিভাগ।
১১৯. ওটি (OT – Operation Theatre): অস্ত্রোপচার করার জন্য সজ্জিত কক্ষ।
১২০. ইআর বা ইমার্জেন্সি রুম (ER – Emergency Room): জরুরি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের বিভাগ।
১২১. ওপিডি (OPD – Outpatient Department): যেখানে রোগীরা ভর্তি না হয়ে ডাক্তারের পরামর্শ বা চিকিৎসা নিতে আসে।
১২২. ইনপেশেন্ট (Inpatient): যে রোগী চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি থাকে।
১২৩. আউটপেশেন্ট (Outpatient): যে রোগী হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে চিকিৎসা বা পরামর্শ নেয়।
১২৪. রেফারেল (Referral): একজন ডাক্তার যখন রোগীকে অন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে পাঠান।
১২৫. কনসাল্টেশন (Consultation): ডাক্তারের সাথে পরামর্শ বা আলোচনা।

১২৬. নিউমোনিয়া (Pneumonia): ফুসফুসের প্রদাহ যা সাধারণত সংক্রমণ (ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস) দ্বারা সৃষ্ট হয় এবং শ্বাস নিতে কষ্ট, কাশি ও জ্বর হতে পারে।
১২৭. ব্রঙ্কাইটিস (Bronchitis): ফুসফুসের শ্বাসনালীর (bronchial tubes) ভেতরের আস্তরণে প্রদাহ।
১২৮. এম্ফিসেমা (Emphysema): ফুসফুসের একটি দীর্ঘস্থায়ী অবস্থা যেখানে বায়ুথলি (alveoli) ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
১২৯. টিবি বা যক্ষ্মা (Tuberculosis – TB): Mycobacterium tuberculosis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ যা প্রধানত ফুসফুসকে আক্রান্ত করে।
১৩০. প্লুরিসি (Pleurisy): ফুসফুস এবং বুকের খাঁচার ভেতরের আস্তরণ (pleura) এর প্রদাহ।
১৩১. অ্যাপেন্ডিসাইটিস (Appendicitis): পরিপাকতন্ত্রের একটি ছোট অংশ (অ্যাপেন্ডিক্স) ফুলে যাওয়া বা প্রদাহ হওয়া।
১৩২. পিত্তথলির পাথর (Gallstones): পিত্তথলির ভেতরে তৈরি হওয়া কঠিন পদার্থ, যা ব্যথা বা blockage সৃষ্টি করতে পারে।
১৩৩. হার্নিয়া (Hernia): শরীরের কোনো দুর্বল অংশের মধ্য দিয়ে কোনো অঙ্গ বা টিস্যু বেরিয়ে আসা।
১৩৪. সিরোসিস (Cirrhosis): লিভারের একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ যেখানে সুস্থ টিস্যু নষ্ট হয়ে দাগযুক্ত টিস্যু তৈরি হয়, ফলে লিভারের কার্যক্ষমতা কমে যায়।
১৩৫. আইবিএস (IBS – Irritable Bowel Syndrome): অন্ত্রের একটি সাধারণ ব্যাধি যা পেট ব্যথা, ফোলা, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হয়।
১৩৬. কোলাইটিস (Colitis): বৃহদন্ত্রের (colon) প্রদাহ।
১৩৭. ডাইভার্টিকুলাইটিস (Diverticulitis): বৃহদন্ত্রের দেওয়ালে তৈরি হওয়া ছোট থলি বা পকেট (diverticula) এর প্রদাহ।
১৩৮. প্যানক্রিয়াটাইটিস (Pancreatitis): অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ।
১৩৯. ম্যালেরিয়া (Malaria): মশা বাহিত পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ যা জ্বর, কাঁপুনি এবং ফ্লুর মতো লক্ষণ সৃষ্টি করে।
১৪০. ডেঙ্গু (Dengue): মশা বাহিত ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ যা তীব্র জ্বর, মাথাব্যথা, পেশী ও জয়েন্ট ব্যথা এবং ফুসকুড়ি সৃষ্টি করে।
১৪১. টাইফয়েড (Typhoid Fever): দূষিত খাদ্য বা জল থেকে ছড়ানো Salmonella Typhi ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ।
১৪২. কলেরা (Cholera): Vibrio cholerae ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট একটি তীব্র সংক্রামক রোগ যা মারাত্মক ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতার সৃষ্টি করে।
১৪৩. এইডস (AIDS – Acquired Immunodeficiency Syndrome): এইচআইভি (HIV) ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়।
১৪৪. হেপাটাইটিস এ, বি, সি (Hepatitis A, B, C): বিভিন্ন ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট লিভারের প্রদাহের বিভিন্ন ধরণ।
১৪৫. মেনিনজাইটিস (Meningitis): মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডকে ঘিরে থাকা ঝিল্লির (meninges) প্রদাহ।
১৪৬. এনসেফালাইটিস (Encephalitis): মস্তিষ্কের প্রদাহ।
১৪৭. মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস (Multiple Sclerosis – MS): একটি রোগ যেখানে শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থা মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডকে আক্রমণ করে।
১৪৮. নিউরোপ্যাথি (Neuropathy): স্নায়ুর ক্ষতি, যা ব্যথা, অসাড়তা বা পেশী দুর্বলতার কারণ হতে পারে।
১৪৯. কনকাশন (Concussion): মাথায় আঘাত লাগার ফলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতার একটি অস্থায়ী ব্যাঘাত।
১৫০. ফ্র্যাকচার বা অস্থিভঙ্গ (Fracture): হাড় ভেঙে যাওয়া।
১৫১. মচকানো বা স্প্রেইন (Sprain): লিগামেন্টের (হাড়কে হাড়ের সাথে সংযুক্ত করে) টান বা ছেঁড়া।
১৫২. টান লাগা বা স্ট্রেইন (Strain): পেশী বা টেন্ডনের (পেশীকে হাড়ের সাথে সংযুক্ত করে) টান বা ছেঁড়া।
১৫৩. অস্টিওআর্থ্রাইটিস (Osteoarthritis): অস্থিসন্ধির তরুণাস্থি (cartilage) ক্ষয় হয়ে যাওয়া, যা ব্যথা ও অনমনীয়তা সৃষ্টি করে।
১৫৪. রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (Rheumatoid Arthritis – RA): একটি অটোইমিউন রোগ যেখানে শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থা জয়েন্টগুলোকে আক্রমণ করে, ফলে প্রদাহ ও ব্যথা হয়।
১৫৫. টেন্ডিনাইটিস (Tendinitis): টেন্ডনের প্রদাহ।
১৫৬. বার্সাইটিস (Bursitis): জয়েন্টের কাছাকাছি তরল-পূর্ণ থলি (bursa) এর প্রদাহ।
১৫৭. কার্পাল টানেল সিন্ড্রোম (Carpal Tunnel Syndrome): কব্জির একটি প্রধান স্নায়ুর উপর চাপ পড়ার কারণে হাতে ব্যথা, অসাড়তা বা ঝিঁঝিঁ ভাব হওয়া।
১৫৮. টেনিস এলবো (Tennis Elbow): কনুইয়ের বাইরের অংশে পেশী ও টেন্ডনে ব্যথা।
১৫৯. প্ল্যান্টার ফ্যাসাইটিস (Plantar Fasciitis): পায়ের পাতার নিচের অংশের টিস্যুতে ( plantar fascia) প্রদাহ, যা গোড়ালির ব্যথার কারণ হয়।
১৬০. অ্যাকনি (Acne): ত্বকের একটি সাধারণ অবস্থা যেখানে লোমকূপ তেল ও মৃত কোষ দ্বারা আটকে যায়, ফলে পিম্পল তৈরি হয়।

১৬১. আর্টিকেরিয়া বা আমবাত (Urticaria / Hives): অ্যালার্জি বা অন্যান্য কারণে ত্বকে চুলকানিযুক্ত, উঁচু ও লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেওয়া।
১৬২. নেভাস বা তিল (Nevus / Mole): ত্বকের উপর বা নিচে মেলানিন কোষের জমাট বাঁধার ফলে তৈরি হওয়া ছোট, রঙিন দাগ।
১৬৩. ওয়ার্ট বা আঁচিল (Wart / Verruca): মানব প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) দ্বারা সৃষ্ট ত্বকের উপর রুক্ষ বৃদ্ধি।
১৬৪. মেলানোমা (Melanoma): ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিকারী মেলানিন কোষ থেকে উদ্ভূত একটি মারাত্মক রূপ।
১৬৫. একজিমা (Eczema): ত্বকের একটি প্রদাহজনক অবস্থা যা চুলকানি, লালচে ভাব এবং শুষ্কতার কারণ হয় (আগেও উল্লেখ করা হয়েছে)।
১৬৬. সোরিয়াসিস (Psoriasis): ত্বকের একটি অটোইমিউন রোগ যা ত্বকের দ্রুত কোষ বৃদ্ধির কারণ হয়, ফলে আঁশযুক্ত প্যাচ তৈরি হয় (আগেও উল্লেখ করা হয়েছে)।
১৬৭. ক্যাটারাক্ট বা ছানি (Cataract): চোখের লেন্স ঘোলা হয়ে যাওয়া, যা দৃষ্টিশক্তি হ্রাস করে।
১৬৮. গ্লুকোমা (Glaucoma): চোখের স্নায়ুর ক্ষতি, প্রায়শই চোখের ভেতর উচ্চ চাপের কারণে ঘটে এবং দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে।
১৬৯. কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা (Conjunctivitis / Pink Eye): চোখের সাদা অংশ এবং পাতার ভেতরের আস্তরণের (conjunctiva) প্রদাহ, যা লালচে ভাব ও চুলকানির কারণ হয়।
১৭০. রেটিনোপ্যাথি (Retinopathy): রেটিনার রোগ, প্রায়শই ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের কারণে ঘটে এবং দৃষ্টিশক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে।
১৭১. ম্যাকুলার ডিজেনারেশন (Macular Degeneration): রেটিনার কেন্দ্রীয় অংশের (macula) ক্ষয়, যা কেন্দ্রীয় দৃষ্টিশক্তিকে প্রভাবিত করে।
১৭২. অন্ধত্ব (Blindness): দৃষ্টিশক্তির সম্পূর্ণ বা আংশিক অনুপস্থিতি।
১৭৩. ওটিটিস মিডিয়া (Otitis Media): মধ্য কর্ণে (middle ear) সংক্রমণ বা প্রদাহ (কানের ভেতরে)।
১৭৪. টিনিটাস (Tinnitus): কানে ঘণ্টার শব্দ বা গুঞ্জন শোনা যা বাইরের কোনো উৎস থেকে আসে না।
১৭৫. শ্রবণশক্তি হ্রাস (Hearing Loss): শব্দ শোনার ক্ষমতা কমে যাওয়া।
১৭৬. টন্সিলাইটিস (Tonsillitis): গলার পেছনে অবস্থিত টনসিলের প্রদাহ।
১৭৭. ল্যারিনজাইটিস (Laryngitis): স্বরযন্ত্রের (larynx) প্রদাহ, যা কণ্ঠস্বরকে প্রভাবিত করে।
১৭৮. ফ্যারিঞ্জাইটিস (Pharyngitis): গলার পেছনের অংশ (pharynx) এর প্রদাহ (গলা ব্যথা)।
১৭৯. সাইনুসাইটিস (Sinusitis): মাথার খুলির ভেতরের বায়ুপূর্ণ গহ্বর (sinuses) এর প্রদাহ (আগেও উল্লেখ করা হয়েছে)।
১৮০. কিডনি স্টোন বা বৃক্ক পাথর (Kidney Stone): কিডনিতে তৈরি হওয়া কঠিন জমাট বস্তু।
১৮১. প্রোস্টাটাইটিস (Prostatitis): পুরুষদের প্রোস্টেট গ্রন্থির প্রদাহ।
১৮২. সিস্টাইটিস (Cystitis): মূত্রাশয়ের প্রদাহ, প্রায়শই সংক্রমণ দ্বারা সৃষ্ট।
১৮৩. মূত্রনালীর সংক্রমণ (Urinary Tract Infection – UTI): মূত্রনালীর যেকোনো অংশে সংক্রমণ (আগেও উল্লেখ করা হয়েছে)।
১৮৪. মূত্রনিয়ন্ত্রণে অক্ষমতা বা ইনকন্টিনেন্স (Incontinence): মূত্রত্যাগের উপর নিয়ন্ত্রণ হারানো।
১৮৫. থাইরয়েড সমস্যা (Thyroid Problems): থাইরয়েড গ্রন্থির অতিরিক্ত সক্রিয়তা (হাইপারথাইরয়েডিজম) বা কম সক্রিয়তা (হাইপোথাইরয়েডিজম) জনিত সমস্যা।
১৮৬. কুশিং সিন্ড্রোম (Cushing’s Syndrome): শরীরে কর্টিসল হরমোনের অতিরিক্ত মাত্রার কারণে সৃষ্ট একটি অবস্থা।
১৮৭. অ্যাডিসন রোগ (Addison’s Disease): অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি পর্যাপ্ত হরমোন তৈরি করতে না পারলে সৃষ্ট একটি অবস্থা।
১৮৮. ইসিজি/ইকেজি (ECG / EKG – Electrocardiogram): হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করার পরীক্ষা।
১৮৯. ইইজি (EEG – Electroencephalogram): মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করার পরীক্ষা।
১৯০. আল্ট্রাসাউন্ড (Ultrasound): শরীরের ভেতরের ছবি তৈরি করতে শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে এমন একটি ইমেজিং পরীক্ষা।

১৯১. এন্ডোস্কোপি (Endoscopy): শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দেখার জন্য ক্যামেরা সহ একটি নমনীয় টিউব ব্যবহার করে এমন একটি পদ্ধতি।
১৯২. কোলনস্কোপি (Colonoscopy): বৃহদন্ত্রের ভেতরের অংশ পরীক্ষা করার জন্য এন্ডোস্কোপ ব্যবহার করে এমন একটি পদ্ধতি।
১৯৩. ল্যাপারোস্কোপি (Laparoscopy): ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে পেটের ভেতরের অংশ দেখার জন্য ক্যামেরা সহ একটি বিশেষ যন্ত্র ব্যবহার করে অস্ত্রোপচার বা পরীক্ষা। (কী-হোল সার্জারি নামেও পরিচিত)
১৯৪. বায়োপসি (Biopsy): পরীক্ষার জন্য শরীরের কোনো সন্দেহজনক অংশ থেকে টিস্যুর ছোট নমুনা সংগ্রহ করা (আগেও উল্লেখ করা হয়েছে)।
১৯৫. সিবিসি (CBC – Complete Blood Count): রক্তে লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা, প্লেটলেট এবং অন্যান্য উপাদানের সংখ্যা পরিমাপ করার রক্ত পরীক্ষা।
১৯৬. এলএফটি (LFT – Liver Function Test): লিভারের কার্যকারিতা মূল্যায়নের জন্য রক্ত পরীক্ষা।
১৯৭. কেএফটি (KFT – Kidney Function Test): কিডনির কার্যকারিতা মূল্যায়নের জন্য রক্ত পরীক্ষা।
১৯৮. ইউরিনালাইসিস (Urinalysis): প্রস্রাবের নমুনা বিশ্লেষণ করে রোগ নির্ণয় বা পর্যবেক্ষণের পরীক্ষা।
১৯৯. মল পরীক্ষা (Stool Test): মলের নমুনা বিশ্লেষণ করে সংক্রমণ বা হজমের সমস্যা নির্ণয়ের পরীক্ষা।
২০০. হরমোন পরীক্ষা (Hormone Test): রক্তে বিভিন্ন হরমোনের মাত্রা পরিমাপ করার পরীক্ষা।
২০১. কালচার টেস্ট (Culture Test): ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য জীবাণু শনাক্ত করার জন্য শরীরের তরল বা টিস্যুর নমুনা পরীক্ষাগারে বৃদ্ধি করা।
২০২. অ্যালার্জি টেস্ট (Allergy Test): নির্দিষ্ট পদার্থের প্রতি শরীরের অ্যালার্জি আছে কিনা তা নির্ণয়ের পরীক্ষা।
২০৩. ব্লাড ট্রান্সফিউশন (Blood Transfusion): রোগীর শরীরে রক্ত বা রক্তের উপাদান প্রবেশ করানো।
২০৪. আইভি ইনফিউশন (IV Infusion): শিরার মাধ্যমে (intravenously) রোগীর শরীরে তরল বা ওষুধ প্রবেশ করানো।
২০৫. ডায়ালাইসিস (Dialysis): কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ এবং অতিরিক্ত তরল অপসারণ করার একটি পদ্ধতি।
২০৬. কেমোথেরাপি (Chemotherapy): ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার জন্য ওষুধ ব্যবহার করে চিকিৎসা (আগেও উল্লেখ করা হয়েছে)।
২০৭. রেডিয়েশন থেরাপি (Radiation Therapy): ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার জন্য উচ্চ শক্তির বিকিরণ ব্যবহার করে চিকিৎসা (আগেও উল্লেখ করা হয়েছে)।
২০৮. সার্জারি বা অস্ত্রোপচার (Surgery): রোগ নিরাময়, আঘাত সারানো, বা শারীরিক সমস্যা সমাধানের জন্য শরীরের ভেতরে বা বাইরে করা চিকিৎসা পদ্ধতি (আগেও উল্লেখ করা হয়েছে)।
২০৯. বাইপাস সার্জারি (Bypass Surgery): রক্তনালীর ব্লক এড়িয়ে রক্ত প্রবাহের জন্য নতুন পথ তৈরি করার অস্ত্রোপচার, সাধারণত হৃদপিণ্ডে করা হয়।
২১০. ট্রান্সপ্ল্যান্ট বা প্রতিস্থাপন (Transplant): অসুস্থ বা ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গ বা টিস্যুর পরিবর্তে সুস্থ অঙ্গ বা টিস্যু স্থাপন করা।
২১১. অ্যাম্পুটেশন (Amputation): শরীরের কোনো অংশ (যেমন হাত বা পা) কেটে ফেলা।
২১২. সীবন বা সেলাই (Sutures / Stitches): অস্ত্রোপচার বা আঘাতের পর টিস্যু বা চামড়া সেলাই করে জোড়া লাগানো।
২১৩. ইনসিশন (Incision): অস্ত্রোপচারের জন্য চামড়া বা টিস্যুতে করা কাটা।
২১৪. গ্র্যাফট (Graft): শরীরের এক অংশ থেকে টিস্যু বা অঙ্গ নিয়ে অন্য অংশে স্থাপন করা।
২১৫. অ্যানেস্থেশিয়া (Anesthesia): ব্যথা উপলব্ধি সাময়িকভাবে বন্ধ করার জন্য ব্যবহৃত ওষুধ বা পদ্ধতি (আগেও উল্লেখ করা হয়েছে)।
২১৬. এপিডিউরাল (Epidural): মেরুদণ্ডের কাছাকাছি একটি নির্দিষ্ট স্থানে অ্যানেস্থেশিয়া বা ব্যথানাশক ওষুধ প্রয়োগ।
২১৭. ফিজিক্যাল থেরাপি বা ফিজিওথেরাপি (Physical Therapy / Physiotherapy): শারীরিক কার্যক্ষমতা পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যায়াম ও কৌশল ব্যবহার করে চিকিৎসা (আগেও উল্লেখ করা হয়েছে)।
২১৮. অকুপেশনাল থেরাপি (Occupational Therapy): দৈনন্দিন কাজ করার ক্ষমতা পুনরুদ্ধারে সাহায্য করার থেরাপি (আগেও উল্লেখ করা হয়েছে)।
২১৯. স্পিচ থেরাপি (Speech Therapy): কথা বলা বা গিলে ফেলার সমস্যা সমাধানের থেরাপি (আগেও উল্লেখ করা হয়েছে)।
২২০. সাইকোথেরাপি (Psychotherapy): মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানের জন্য কথা বলার মাধ্যমে চিকিৎসা (কাউন্সেলিং)।

Translate »
error: Content is protected !!