Description
Mediitem 13 (ব্রেন টনিক, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে )
Mediitem 13 (ব্রেন টনিক, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে ) ওজন 100 গ্রাম পাউডার
ওজন 100 এম এল টিংচার
==================
🛑 অর্ডার করার জন্য
নাম:-
জেলা:-
থানা:-
গ্রাম/এলাকা:-
ফোন নাম্বার:-
এগুলো দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
🚛আমরা পৌঁছে দিব ইনশাল্লাহ।
কল 01845-166188
👉 সরাসরি সাক্ষাৎ করতে চাইলে চলে আসুন বিকাল 3 টা থেকে রাত 9 টা পর্যন্ত বাসস্ট্যান্ড, কাউখালী, পিরোজপুর।
ব্রেন এর রোগ সম্পর্কে ধারণা
মস্তিষ্ক বা ব্রেন আমাদের শরীরের সবচেয়ে জটিল এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। বিভিন্ন কারণে ব্রেনে নানা ধরনের রোগ হতে পারে। সংক্ষেপে কিছু প্রধান ব্রেন রোগের ধারণা নিচে দেওয়া হলো:
১. স্ট্রোক (Stroke): মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত বা বন্ধ হয়ে গেলে অথবা মস্তিষ্কের রক্তনালী ছিঁড়ে রক্তক্ষরণ হলে স্ট্রোক হয়। এর ফলে মস্তিষ্কের কোষ মারা যেতে শুরু করে। লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে হঠাৎ মুখ বেঁকে যাওয়া, হাত বা পা অবশ হয়ে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
২. আলঝেইমার রোগ (Alzheimer’s Disease): এটি ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশের প্রধান কারণ। এই রোগে ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি, চিন্তা করার ক্ষমতা এবং অন্যান্য মানসিক কার্যকারিতা লোপ পায়।
৩. পারকিনসন রোগ (Parkinson’s Disease): এই রোগে মস্তিষ্কের একটি নির্দিষ্ট অংশের কোষ নষ্ট হয়ে যায়, যা ডোপামিন নামক রাসায়নিক তৈরি করে। এর ফলে শরীরে কাঁপুনি, ভারসাম্যহীনতা, মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাওয়া এবং চলাফেরায় ধীরগতি দেখা দেয়।
৪. এপিলেপসি বা মৃগী রোগ (Epilepsy): মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপে হঠাৎ অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে খিঁচুনি বা অস্বাভাবিক আচরণ হতে পারে। এটি বারবার হলে তাকে এপিলেপসি বলে।
৫. ব্রেইন টিউমার (Brain Tumor): মস্তিষ্কের ভেতরে কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ব্রেইন টিউমার বলে। এটি বিনাইন (ক্যান্সার নয়) বা ম্যালিগন্যান্ট (ক্যান্সার) হতে পারে। লক্ষণগুলো টিউমারের ধরণ, আকার এবং অবস্থানের ওপর নির্ভর করে।
৬. মেনিনজাইটিস ও এনসেফালাইটিস (Meningitis & Encephalitis): মেনিনজাইটিস হলো মস্তিষ্ক ও স্পাইনাল কর্ডের আবরণের (মেনিনজেস) সংক্রমণ বা প্রদাহ। আর এনসেফালাইটিস হলো সরাসরি মস্তিষ্কের টিস্যুর প্রদাহ। এগুলো সাধারণত ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয়।
৭. ট্রমাটিক ব্রেইন ইনজুরি (Traumatic Brain Injury – TBI): মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে মস্তিষ্কের ক্ষতি হলে তাকে টিবিআই বলে। এর ফলে সাময়িক বা দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হতে পারে।
৮. মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস (Multiple Sclerosis – MS): এটি একটি অটোইমিউন রোগ, যেখানে শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ডের স্নায়ুতন্ত্রের প্রতিরক্ষামূলক আবরণকে (মায়েলিন) আক্রমণ করে। এর ফলে দৃষ্টি সমস্যা, দুর্বলতা, ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি দেখা দেয়।
৯. মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা (Mental Health Issues): বিভিন্ন মানসিক রোগ যেমন – বিষণ্ণতা (Depression), উদ্বেগ (Anxiety disorders), বাইপোলার ডিসঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া ইত্যাদিও মস্তিষ্কের রাসায়নিক ভারসাম্যহীনতা বা কার্যপ্রণালীর সাথে যুক্ত।
সাধারণ লক্ষণ: মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, কথা বলতে বা বুঝতে অসুবিধা, শরীরের কোনো অংশ অবশ হয়ে যাওয়া, কাঁপুনি, ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন ইত্যাদি ব্রেনের রোগের লক্ষণ হতে পারে।
এটি একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা মাত্র। ব্রেনের রোগ অনেক ধরনের এবং জটিল হতে পারে।
