Sale!

Mediitem 20

Original price was: 350.00৳ .Current price is: 290.00৳ .

Mediitem 20  ( দাঁতের যত্ন: সমস্যা শুরুর আগেই সমাধান ) ওজন 30 এম এল (লিকুইড)

Description

Mediitem 20 ( দাঁতের সকল সমস্যার সমাধান )

দাঁতের যত্ন: সমস্যা শুরুর আগেই সমাধান

👉 প্রথম দিন থেকেই ফলাফল বুঝতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

👉 দাঁতের যে কোন ব্যথা

👉 ওয়ান পার্সেন্ট ( Tooth Mobility 1% ) লরা দাঁত শক্ত হবে।

👉 মুখের দুর্গন্ধে দূর হবে।

👉 Tooth Sensitivity: ঠাণ্ডা, গরম, মিষ্টি, টক এগুলো খেলে যদি দাঁতে শির শির অনুভব হয়। সুরক্ষা পেতে আজই ব্যবহার করুন আমাদের এই প্রোডাক্ট।

👉 শীতে শিরশির অনুভূতির চিন্তা ছাড়াই পছন্দের রসের পিঠা কিংবা মিস্টি, চা উপভোগ করতে নিয়মিত ব্যবহার করুন এই প্রোডাক্ট।

👉 সুস্থ দাঁতে ব্যবহার করলে দাঁত ও মারি অনেক গুণ বেশি শক্তিশালী হবে এবং কখনো নষ্ট বা cavities হবে না।

👉 ইনশাআল্লাহ্‌ 100 % কাযকার।

🛑 ওজন 30 এম এল টিংচার (লিকুইড)

🛑 ( Mediitem 20, চিকিৎসা প্যাকেজ ) এই ওষুধটি দাঁতের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বিশেষভাবে কার্যকরী। এটি দাঁত ও মাড়িকে শক্তিশালী করে, ক্ষয় ও সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। নিয়মিত ব্যবহারে এটি দাঁতের নানাবিধ সমস্যা প্রতিরোধ করে মুখের সার্বিক স্বাস্থ্য উন্নত করে, ফলে দাঁত দীর্ঘকাল সুস্থ ও মজবুত থাকে।

🛑 আমরা সকলেই জানি এলোপ্যাথিক ব্যথার ঔষধ NSAIDs (Nonsteroidal Anti-Inflammatory Drugs) এবং এন্টিবায়োটিক সব সময় ব্যবহার করা যায় না যেমন- প্রেগন্যান্সি অবস্থায়, শিশুদেরকে, হার্টের রোগী, কিডনির রোগী, লিভারের সমস্যা, বৃদ্ধ বাবা-মা বা যেকোনো শরীরের রোগ থাকলে সহজে ওষুধ ব্যবহার করা যায় না, সে ক্ষেত্রে আমাদের এই ঔষধটি ব্যবহার করলে নিমিষেই ব্যথা নির্মূল হয়ে যাবে কোন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া। ছোটখাটো বা মাঝারি ধরনের দাঁতের ব্যথার জন্য এই ওষুধটি তুলা দিয়ে গর্ত স্থানে লাগালে খুব দ্রুত ব্যথা কমে যাবে।
তাই এন্টিবায়োটিক ও ব্যথার ওষুধ থেকে দূরে থাকুন আমাদের এই ওষুধটি ব্যবহার করুন আশা করি সুস্থ থাকবেন ইনশাআল্লাহ।

🛑 উপকার না পেলে ৫০% (ফিফটি পার্সেন্ট) টাকা ফেরত দেওয়া হবে । ( তবে আশা করি এমনটা হবে না ইনশাআল্লাহ )

ব্যবহারবিধি:

দাঁতে ব্যথা হলে: 4 ফোটা ঔষধ তুলাই ভিজিয়ে দাঁতের গর্ত স্থানে ব্যবহার করবে যদি গর্ত না থাকে তাহলে আঙ্গুলের মাথায় নিয়ে দাঁত মাজবে প্রতিদিন 3 বার।
মুখের দুর্গন্ধে, দাঁত শক্ত করতে ও দাঁত শিরশির অনুভূতিতে: পেস্ট ও ব্রাশে বা আঙ্গুল দিয়ে দাঁত মাজবে প্রতিদিন 3 বার।
(এছাড়াও বিস্তারিত জানতে কল করুন 01845 166 188 )

ব্রাশে বা আঙ্গুল দিয়ে দাঁতে মাজলে এই ওষুধটি যে সমস্ত রোগের প্রতিরোধ করবে।

১. জিনজিভাইটিস (Gingivitis):
এটি মাড়ির রোগের প্রাথমিক পর্যায় এবং সবচেয়ে সাধারণ ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ।
* কারণ: দাঁতের গোড়ায় খাদ্যকণা ও ব্যাকটেরিয়া জমে প্ল্যাক (Plaque) নামক একটি আঠালো, বর্ণহীন স্তর তৈরি করে। এই প্ল্যাক যদি নিয়মিত পরিষ্কার না করা হয়, তাহলে তা শক্ত হয়ে টারটার বা পাথর (Calculus/Tartar) তৈরি করে। প্ল্যাক ও টারটারে থাকা ব্যাকটেরিয়া বিষাক্ত পদার্থ (Toxins) নিঃসরণ করে, যা মাড়িতে প্রদাহ সৃষ্টি করে।

লক্ষণ:
* মাড়ি লাল হয়ে যাওয়া বা গাঢ় লাল বর্ণ ধারণ করা।
* মাড়ি ফুলে যাওয়া।
* দাঁত ব্রাশ করার সময় বা ফ্লস করার সময় মাড়ি থেকে রক্ত পড়া।
* মুখে হালকা দুর্গন্ধ হওয়া।
* মাড়িতে চুলকানি বা অস্বস্তি বোধ হওয়া।
* সাধারণত এই পর্যায়ে ব্যথা থাকে না।

২. পেরিওডন্টাইটিস (Periodontitis):
যদি জিনজিভাইটিসের চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি অগ্রসর হয়ে পেরিওডন্টাইটিসে পরিণত হতে পারে। এটি মাড়ির একটি গুরুতর সংক্রমণ, যা মাড়ির টিস্যু এবং দাঁতকে ধরে রাখা হাড়ের ক্ষয় করে।
* কারণ: জিনজিভাইটিসের ব্যাকটেরিয়াগুলো মাড়ির আরও গভীরে প্রবেশ করে এবং সেখানে প্রদাহ ও সংক্রমণ ঘটায়। শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা এই ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে এমন কিছু এনজাইম তৈরি করে যা মাড়ির সংযোগকারী টিস্যু (Connective tissue) এবং দাঁতকে ধরে রাখা হাড় (Alveolar bone) ক্ষয় করতে শুরু করে।

লক্ষণ:
* জিনজিভাইটিসের সকল লক্ষণ (যেমন – মাড়ি লাল, ফোলা, রক্ত পড়া)।
* মাড়ি দাঁত থেকে সরে আসা (Receding gums), যার ফলে দাঁত লম্বাটে দেখাতে পারে।
* মাড়ি ও দাঁতের মধ্যে পকেট (Periodontal pockets) তৈরি হওয়া, যেখানে আরও বেশি ব্যাকটেরিয়া ও খাদ্যকণা জমতে পারে।
* দাঁত নড়ে যাওয়া বা দাঁতের অবস্থানে পরিবর্তন আসা।
* দাঁতের ফাঁক বেড়ে যাওয়া।
* মাড়ি থেকে পুঁজ বের হওয়া।
* তীব্র ও স্থায়ী মুখে দুর্গন্ধ।
* কামড় দেওয়ার সময় দাঁতের অবস্থানে পরিবর্তন অনুভব করা বা অস্বস্তি বোধ করা।
* মাড়িতে ব্যথা হতেও পারে, নাও হতে পারে।

৩. অ্যাকিউট নেক্রোটাইজিং আলসারেটিভ জিনজিভাইটিস (Acute Necrotizing Ulcerative Gingivitis – ANUG) বা ট্রেঞ্চ মাউথ (Trench Mouth):
এটি মাড়ির একটি তীব্র ও বেদনাদায়ক সংক্রমণ, যা খুব দ্রুত বিস্তার লাভ করে।
* কারণ: নির্দিষ্ট কিছু ব্যাকটেরিয়ার (যেমন – স্পাইরোকিটস, ফিউসোব্যাকটেরিয়া) আক্রমণাত্মক সংক্রমণ। এটি সাধারণত দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতা, মানসিক চাপ, ধূমপান, অপুষ্টি এবং দুর্বল মুখগহ্বরের স্বাস্থ্যবিধির সাথে সম্পর্কিত।

লক্ষণ:
* মাড়িতে তীব্র ব্যথা।
* দাঁতের মাঝখানে মাড়ির অংশগুলোতে (প্যাপিলা) ঘা বা আলসার হওয়া।
* মাড়ির টিস্যু মরে যাওয়া (নেক্রোসিস) এবং ধূসর বর্ণ ধারণ করা।
* তীব্র ও খুবই বাজে দুর্গন্ধ।
* মাড়ি থেকে সহজেই রক্তপাত হওয়া।
* জ্বর এবং অবসাদ।
* গলার লসিকা গ্রন্থি ফুলে যাওয়া।

৪. পেরিওডন্টাল অ্যাবসেস (Periodontal Abscess) বা মাড়ির ফোঁড়া:
এটি মাড়ির গভীরে পেরিওডন্টাল পকেটের মধ্যে পুঁজ জমে সৃষ্ট একটি স্থানীয় সংক্রমণ।
* কারণ: পেরিওডন্টাইটিসের কারণে সৃষ্ট পকেটে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ আটকে গেলে বা কোনো খাদ্যকণা আটকে গেলে এই ফোঁড়া হতে পারে।

লক্ষণ:
* নির্দিষ্ট একটি স্থানে মাড়ি ফুলে যাওয়া এবং লাল হয়ে যাওয়া।
* তীব্র, দপদপে ব্যথা।
* স্পর্শ করলে বা চাপ দিলে ব্যথা।
* ক্ষতিগ্রস্ত দাঁতটি নড়বড়ে লাগতে পারে বা উঁচু মনে হতে পারে।
* মাড়ি থেকে পুঁজ বের হতে পারে।
* মুখে খারাপ স্বাদ বা দুর্গন্ধ।
* জ্বর হতে পারে এবং মুখমণ্ডল ফুলে যেতে পারে।

৫. পেরিকোরোনাইটিস (Pericoronitis):
এটি সাধারণত আংশিক ওঠা আক্কেল দাঁতের (Wisdom tooth) চারপাশের মাড়ির টিস্যুতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ও প্রদাহ।
* কারণ: আক্কেল দাঁত সম্পূর্ণভাবে উঠতে না পারলে তার উপরে মাড়ির একটি অংশ (Operculum) ঢেকে থাকে। এর নিচে খাদ্যকণা ও ব্যাকটেরিয়া জমে সংক্রমণ ঘটায়।
লক্ষণ:
* আক্কেল দাঁতের আশেপাশে মাড়ি ফোলা, লাল হওয়া এবং ব্যথা।
* গিলতে বা মুখ খুলতে অসুবিধা।
* মুখে দুর্গন্ধ বা খারাপ স্বাদ।
* পুঁজ বের হতে পারে।
* কখনও কখনও জ্বর এবং চোয়ালের নিচের লসিকা গ্রন্থি ফুলে যেতে পারে।

দাঁত শিরশির করা বিস্তারিত

দাঁত শিরশির করা, যা ইংরেজিতে “Tooth Sensitivity” বা “Dentin Hypersensitivity” নামে পরিচিত, এটি একটি সাধারণ দাঁতের সমস্যা। যখন দাঁতের ভেতরের স্তর, ডেন্টিন (Dentin), উন্মুক্ত হয়ে যায়, তখন এই শিরশির অনুভূতি হয়।

দাঁত শিরশির করার প্রক্রিয়া:
আমাদের দাঁতের সবচেয়ে বাইরের শক্ত আবরণকে এনামেল (Enamel) বলা হয়। মাড়ির নিচে থাকা দাঁতের মূল বা রুট (Root) সিমেন্টাম (Cementum) নামক একটি পাতলা স্তর দ্বারা আবৃত থাকে। এনামেল বা সিমেন্টামের নিচে থাকে ডেন্টিন, যা তুলনামূলকভাবে নরম এবং এতে হাজার হাজার আণুবীক্ষণিক নালী (Microscopic tubules) থাকে। এই নালীগুলো দাঁতের কেন্দ্রস্থলে থাকা মজ্জা বা পাল্প (Pulp) পর্যন্ত বিস্তৃত, যেখানে দাঁতের স্নায়ু (Nerve) থাকে।
যখন এনামেল ক্ষয় হয়ে যায় বা মাড়ি সরে গিয়ে দাঁতের মূলের সিমেন্টাম উন্মুক্ত হয়ে পড়ে, তখন ডেন্টিনও উন্মুক্ত হয়ে যায়। এর ফলে ঠান্ডা, গরম, মিষ্টি, টক বা এমনকি ঠান্ডা বাতাসও এই নালীগুলোর মাধ্যমে দাঁতের স্নায়ুতে পৌঁছে যায় এবং তীব্র, ক্ষণস্থায়ী শিরশির বা ব্যথার অনুভূতি সৃষ্টি করে।

দাঁত শিরশির করার প্রধান কারণসমূহ:
১. এনামেল ক্ষয় (Enamel Erosion):
* ভুল ব্রাশ করার পদ্ধতি: খুব জোরে বা শক্ত ব্রিসলের টুথব্রাশ দিয়ে ব্রাশ করলে এনামেল ক্ষয় হতে পারে।
* অ্যাসিডিক খাবার ও পানীয়: কোমল পানীয়, ফলের রস (যেমন – লেবু, কমলা), ভিনেগার, ওয়াইন ইত্যাদি বেশি খেলে এনামেলের ক্ষয় হয়।
* অ্যাসিড রিফ্লাক্স (GERD) বা বমি: পাকস্থলীর অ্যাসিড মুখে চলে এলে এনামেলের ক্ষতি করে।
* দাঁত কিড়মিড় করা (Bruxism): ঘুমের মধ্যে বা সজাগ অবস্থায় দাঁতে দাঁত ঘষার অভ্যাসের কারণে এনামেল ক্ষয় হতে পারে।
২. মাড়ি সরে যাওয়া (Gum Recession):
* মাড়ির রোগ (Gingivitis/Periodontitis): মাড়িতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে প্রদাহ হয় এবং মাড়ি দাঁত থেকে সরে যেতে থাকে, ফলে দাঁতের মূল উন্মুক্ত হয়ে পড়ে।
* বয়স: বয়সের সাথে সাথে মাড়ি কিছুটা সরে যাওয়া স্বাভাবিক।
* আgressiv ব্রাশ করা: জোরে ব্রাশ করলে মাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
৩. দাঁতের অন্যান্য সমস্যা:
* দাঁতের ক্ষয় বা ক্যাভিটি (Dental Caries): ক্যাভিটি ডেন্টিন পর্যন্ত পৌঁছালে সংবেদনশীলতা দেখা দিতে পারে।
* দাঁতে ফাটল বা ভাঙন (Cracked or Chipped Tooth): ফাটলের মাধ্যমে বাহ্যিক উদ্দীপনা দাঁতের স্নায়ুতে পৌঁছাতে পারে।
* পুরোনো বা ক্ষতিগ্রস্ত ফিলিং (Worn-out or Leaky Fillings): ফিলিংয়ের পাশ দিয়ে ডেন্টিন উন্মুক্ত হয়ে গেলে শিরশির করতে পারে।
* দাঁতের কিছু চিকিৎসা পরবর্তী অবস্থা: দাঁত সাদা করা (Teeth Whitening), স্কেলিং, ফিলিং বা ক্রাউন লাগানোর পর সাময়িকভাবে দাঁত শিরশির করতে পারে।
লক্ষণ:
ঠান্ডা, গরম, মিষ্টি বা টক জাতীয় খাবার বা পানীয় গ্রহণের সময় তীব্র, ক্ষণস্থায়ী ব্যথা বা শিরশির অনুভূতি।
ঠান্ডা বাতাস মুখে লাগলে শিরশির করা।
দাঁত ব্রাশ করার সময় বা ফ্লস করার সময় অস্বস্তি।

দাঁতের সমস্যা ও তার সমাধান:

দাঁতের সমস্যা এর মধ্যে প্রধান হলো দাঁতের ক্ষয় বা ক্যাভিটি, যা খাদ্যকণা ও ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে অ্যাসিড তৈরি হয়ে দাঁতের এনামেল নষ্ট করে দেয়। মাড়ির রোগ, যেমন জিঞ্জিভাইটিস (মাড়ির প্রদাহ) ও পেরিওডন্টাইটিস (যা দাঁতের সাপোর্টিং টিস্যু নষ্ট করে), অপর একটি গুরুতর সমস্যা।
এছাড়াও, দাঁত শিরশির করা, দাঁতে পাথর জমা, মুখে দুর্গন্ধ, আঁকাবাঁকা দাঁত এবং দাঁত পড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যাগুলো প্রায়শই দেখা যায়। এই সমস্যাগুলির মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অনিয়মিত দাঁত ব্রাশ করা, মিষ্টি ও শর্করাজাতীয় খাবার বেশি খাওয়া, ধূমপান ও তামাক সেবন এবং নিয়মিত ডেন্টাল চেক-আপ না করানো।
প্রাথমিক পর্যায়ে অবহেলা করলে এই সমস্যাগুলি পরবর্তীতে তীব্র ব্যথা, খাওয়ার অসুবিধা এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটাতে পারে। তাই, দাঁতের যেকোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া এবং নিয়মিত মুখ ও দাঁতের যত্ন নেওয়া অপরিহার্য।

দাঁতের ক্ষয় (Dental Caries/Cavities):

* কারণ: মুখে থাকা ব্যাকটেরিয়া শর্করা জাতীয় খাবারকে ভেঙে অ্যাসিড তৈরি করে। এই অ্যাসিড দাঁতের শক্ত আবরণ (এনামেল) ক্ষয় করে গর্ত বা ক্যাভিটি তৈরি করে। নিয়মিত দাঁত ব্রাশ না করা, মিষ্টি ও আঠালো খাবার বেশি খাওয়া এর প্রধান কারণ।
* লক্ষণ: দাঁতে কালো বা বাদামী দাগ, গর্ত, খাবার আটকে থাকা, ঠান্ডা বা মিষ্টি খেলে শিরশির করা বা ব্যথা হওয়া।
* সমাধান/চিকিৎসা:
* ফিলিং: দাঁতের ক্ষয় যদি প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে, তাহলে ক্ষয়প্রাপ্ত অংশটুকু পরিষ্কার করে সেখানে ফিলিং (সিমেন্ট, কম্পোজিট, অ্যামালগাম ইত্যাদি) করে দেওয়া হয়।
* রুট ক্যানেল ট্রিটমেন্ট (RCT): ক্ষয় যদি দাঁতের মজ্জা (পাল্প) পর্যন্ত পৌঁছে যায় এবং ইনফেকশন হয়, তাহলে রুট ক্যানেল করার প্রয়োজন হয়। এতে দাঁতের মজ্জা বের করে পরিষ্কার করে ফিলিং করে ক্যাপ পরানো হয়।
* দাঁত তুলে ফেলা (Extraction): দাঁত যদি খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং রক্ষার উপায় না থাকে, তখন তুলে ফেলতে হয়।
* প্রতিকার: নিয়মিত দুই বেলা (সকালে নাস্তার পর ও রাতে ঘুমানোর আগে) ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করা, ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করা, মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খাওয়া, নিয়মিত ডেন্টিস্টের কাছে চেকআপ করানো।

মাড়ির রোগ (Gum Disease)

মাড়ির রোগ (Gum Disease):
* ক. জিনজিভাইটিস (Gingivitis): মাড়ির প্রদাহের প্রাথমিক পর্যায়।
* কারণ: দাঁতের গোড়ায় খাদ্যকণা ও ব্যাকটেরিয়া জমে প্ল্যাক (Plaque) তৈরি করে। এই প্ল্যাক শক্ত হয়ে টারটার বা পাথর (Calculus/Tartar) তৈরি করে যা মাড়িতে প্রদাহ সৃষ্টি করে।
* লক্ষণ: মাড়ি লাল হওয়া, ফুলে যাওয়া, ব্রাশ করার সময় রক্ত পড়া, মুখে দুর্গন্ধ।
* সমাধান/চিকিৎসা: প্রফেশনাল স্কেলিং ও পলিশিং এর মাধ্যমে দাঁতের গোড়ায় জমে থাকা প্ল্যাক ও পাথর দূর করা। নিয়মিত ও সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ ও ফ্লস করা।
* খ. পেরিওডন্টাইটিস (Periodontitis): জিনজিভাইটিসের গুরুতর পর্যায়।
* কারণ: জিনজিভাইটিসের চিকিৎসা না করালে প্রদাহ মাড়ির নিচে দাঁতকে ধরে রাখা হাড় পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
* লক্ষণ: জিনজিভাইটিসের লক্ষণগুলো ছাড়াও মাড়ি দাঁত থেকে সরে আসা (পকেট তৈরি হওয়া), দাঁত নড়ে যাওয়া, দাঁতের অবস্থান পরিবর্তন হওয়া, পুঁজ বের হওয়া।
* সমাধান/চিকিৎসা: ডিপ স্কেলিং ও রুট প্ল্যানিং, ক্ষেত্রবিশেষে মাড়ির সার্জারি (যেমন ফ্ল্যাপ সার্জারি, বোন গ্রাফটিং) লাগতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের প্রয়োজন হতে পারে।
* প্রতিকার: জিনজিভাইটিসের প্রতিকারগুলোই এখানে প্রযোজ্য। ধূমপান ত্যাগ করা জরুরি।

দাঁত শিরশির করা

দাঁত শিরশির করা (Tooth Sensitivity):
* কারণ: দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয়ে যাওয়া, মাড়ি সরে গিয়ে দাঁতের মূল (রুট) উন্মুক্ত হয়ে যাওয়া, দাঁতে ফাটল, ক্যাভিটি, জোরে ব্রাশ করার ফলে এনামেল ক্ষয়।
* লক্ষণ: ঠান্ডা, গরম, মিষ্টি বা টক জাতীয় খাবার খেলে দাঁতে তীব্র ক্ষণস্থায়ী ব্যথা বা শিরশির অনুভূতি।
* সমাধান/চিকিৎসা:
* সংবেদনশীলতা কমানোর টুথপেস্ট (Desensitizing toothpaste) ব্যবহার করা।
* ফ্লোরাইড অ্যাপ্লিকেশন।
* ক্ষয়প্রাপ্ত অংশে ফিলিং বা বন্ডিং।
* মাড়ি সরে গেলে গাম গ্রাফটিং।
* কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা (যেমন ক্যাভিটি থাকলে ফিলিং)।
* প্রতিকার: নরম ব্রাশ ব্যবহার করা, সঠিক নিয়মে ব্রাশ করা, অ্যাসিডিক খাবার ও পানীয় কম খাওয়া।

দাঁতের পাথর

দাঁতের পাথর (Calculus/Tartar):
* কারণ: দাঁতের পৃষ্ঠে জমে থাকা প্ল্যাক দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করা হলে তা ক্যালসিফাইড হয়ে শক্ত পাথরের মতো হয়ে যায়।
* লক্ষণ: দাঁতের গোড়ায় হলুদ বা বাদামী শক্ত আস্তরণ, মুখে দুর্গন্ধ, মাড়ির প্রদাহ।
* সমাধান/চিকিৎসা: ডেন্টিস্টের কাছে স্কেলিংয়ের মাধ্যমে এই পাথর দূর করা।
* প্রতিকার: নিয়মিত ও সঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ ও ফ্লস করা।

দাঁতে দাগ

দাঁতে দাগ (Tooth Staining):
* কারণ: চা, কফি, রেড ওয়াইন, তামাক (ধূমপান বা জর্দা), কিছু ওষুধ, বয়স বৃদ্ধি, দাঁতের আঘাত ইত্যাদি।
* লক্ষণ: দাঁতের উপর হলুদ, বাদামী বা অন্যান্য রঙের দাগ।
* সমাধান/চিকিৎসা:
* প্রফেশনাল ক্লিনিং ও পলিশিং।
* প্রতিকার: দাগ সৃষ্টিকারী খাবার ও পানীয় কম গ্রহণ করা, খাওয়ার পর কুলি করা, ধূমপান ত্যাগ করা।

আঁকাবাঁকা দাঁত

আঁকাবাঁকা দাঁত (Malocclusion/Crooked Teeth):
* কারণ: বংশগত, ছোটবেলায় আঙুল চোষা, দুধের দাঁত সময়ের আগে পড়ে যাওয়া বা বেশিদিন থাকা, চোয়ালের আকার ছোট হওয়া।
* লক্ষণ: দাঁত এলোমেলো, উঁচুনিচু বা ফাঁকা ফাঁকা হওয়া, কামড় দিতে অসুবিধা।
* সমাধান/চিকিৎসা: অর্থোডন্টিক চিকিৎসা (Orthodontic treatment) যেমন ব্রেসেস (Braces) বা অ্যালাইনার (Aligners) ব্যবহার করা।
* প্রতিকার: ছোটবেলায় অভ্যাসগত সমস্যা থাকলে তা দূর করা, নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপ।

মুখে দুর্গন্ধ

মুখে দুর্গন্ধ (Halitosis/Bad Breath):
* কারণ: খাদ্যকণা জমে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ, মাড়ির রোগ, দাঁতের ক্ষয়, জিহ্বা অপরিষ্কার থাকা, শুকনো মুখ (Dry mouth), ধূমপান, কিছু খাবার (পেঁয়াজ, রসুন), সাইনাস বা পাকস্থলীর সমস্যা।
* লক্ষণ: মুখ থেকে আসা অপ্রীতিকর গন্ধ।
* সমাধান/চিকিৎসা:
* সঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ ও ফ্লস করা।
* জিহ্বা পরিষ্কারক (Tongue cleaner) ব্যবহার করা।
* মাউথওয়াশ ব্যবহার করা (অ্যালকোহলমুক্ত)।
* প্রচুর পানি পান করা।
* অন্তর্নিহিত কারণ (যেমন মাড়ির রোগ) থাকলে তার চিকিৎসা করা।
* প্রতিকার: নিয়মিত মুখ পরিষ্কার রাখা, ধূমপান ত্যাগ করা, পর্যাপ্ত পানি পান করা।

আক্কেল দাঁতের সমস্যা

আক্কেল দাঁতের সমস্যা (Wisdom Tooth Problems):
* কারণ: আক্কেল দাঁত (তৃতীয় মোলার) ওঠার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা না থাকা (Impacted wisdom tooth), আংশিক ওঠা, ভুল দিকে ওঠা।
* লক্ষণ: মাড়িতে ব্যথা, ফোলা, মুখে দুর্গন্ধ, পাশের দাঁতে চাপ সৃষ্টি, ইনফেকশন।
* সমাধান/চিকিৎসা: ব্যথা কমানোর ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিক (ইনফেকশন হলে), লবণ গরম পানি দিয়ে কুলি করা। প্রায়শই আক্কেল দাঁত তুলে ফেলতে হয় (Extraction)।
* প্রতিকার: নিয়মিত ডেন্টাল এক্স-রে এর মাধ্যমে আক্কেল দাঁতের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করা।

দাঁত ভাঙ্গা বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া

দাঁত ভাঙ্গা বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া (Broken or Chipped Tooth):
* কারণ: দুর্ঘটনা, খেলাধুলায় আঘাত, শক্ত কিছুতে কামড় দেওয়া, দাঁত দুর্বল হয়ে যাওয়া।
* লক্ষণ: ভাঙ্গা দাঁত, ধারালো প্রান্ত, ব্যথা, সংবেদনশীলতা।
* সমাধান/চিকিৎসা:
* বন্ডিং: ছোট ভাঙ্গা অংশে কম্পোজিট রেজিন দিয়ে ঠিক করা।
* ভিনিয়ার: সামনের দাঁতের জন্য।
* ক্রাউন/ক্যাপ: বড় ভাঙ্গা বা দুর্বল দাঁতের জন্য।
* রুট ক্যানেল: যদি দাঁতের মজ্জা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
* এক্সট্র্যাকশন: যদি দাঁত রক্ষা করা সম্ভব না হয়।
* প্রতিকার: খেলাধুলার সময় মাউথগার্ড ব্যবহার করা, শক্ত জিনিস কামড়ানো থেকে বিরত থাকা।

শুকনো মুখ

শুকনো মুখ (Dry Mouth/Xerostomia):
* কারণ: কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অসুস্থতা (যেমন ডায়াবেটিস, সজোগ্রেন সিনড্রোম), রেডিয়েশন থেরাপি, ধূমপান, বয়স।
* লক্ষণ: মুখে লালার পরিমাণ কমে যাওয়া, ঘন ঘন তৃষ্ণা, গিলতে বা কথা বলতে অসুবিধা, ঠোঁট ফাটা, দাঁতের ক্ষয় ও মাড়ির রোগ বেড়ে যাওয়া।
* সমাধান/চিকিৎসা:
* ঘন ঘন পানি পান করা।
* চিনিবিহীন চুইংগাম বা লজেন্স চোষা।
* কৃত্রিম লালা (Artificial saliva) ব্যবহার করা।
* কারণ শনাক্ত করে তার চিকিৎসা করা (যেমন ওষুধের পরিবর্তন)।
* প্রতিকার: পর্যাপ্ত পানি পান, ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার, ক্যাফেইন কম গ্রহণ।

মুখের ক্যান্সার

মুখের ক্যান্সার (Oral Cancer):
* কারণ: তামাক (ধূমপান, জর্দা, গুল), অতিরিক্ত মদ্যপান, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) সংক্রমণ, দীর্ঘসময় সূর্যের আলোতে থাকা (ঠোঁটের ক্যান্সার)।
* লক্ষণ: মুখে বা ঠোঁটে দীর্ঘস্থায়ী ঘা (যা সারে না), সাদা বা লাল ছোপ, অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বা ফোলা, গিলতে বা কথা বলতে অসুবিধা, কারণ ছাড়াই দাঁত নড়ে যাওয়া।
* সমাধান/চিকিৎসা: বায়োপসি করে ক্যান্সার নির্ণয়। চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে সার্জারি, রেডিয়েশন থেরাপি, কেমোথেরাপি।
* প্রতিকার: তামাক ও অতিরিক্ত মদ্যপান ত্যাগ করা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপের সময় মুখের স্ক্রিনিং করানো।

সাধারণ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা:

সাধারণ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা:
প্রতিদিন অন্তত দুইবার ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করুন।
প্রতিদিন একবার ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করুন।
চিনি ও শর্করাযুক্ত খাবার এবং পানীয় কম খান।
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য পরিহার করুন।
প্রতি ৬ মাস অন্তর ডেন্টিস্টের কাছে গিয়ে দাঁত পরীক্ষা করান ও প্রয়োজনে স্কেলিং করান।
কোনো সমস্যা দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।

উপরে দেওয়া তথ্যগুলো সাধারণ ধারণা দেওয়ার জন্য। যেকোনো নির্দিষ্ট সমস্যার জন্য অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তিনি আপনার মুখের অবস্থা পরীক্ষা করে সঠিক রোগ নির্ণয় ও উপযুক্ত চিকিৎসার পরামর্শ দেবেন।

MEDIITEM 20, চিকিৎসা প্যাকেজ দাঁতের সমাধান

দাঁতের যত্ন: সমস্যা শুরুর আগেই সমাধান মেডিআইটেম ২০ (Mediitem 20): দাঁতের রোগ প্রতিরোধের উন্নত সমাধান-
মেডিআইটেম ২০ একটি বিশেষ ফর্মুলায় তৈরি ওষুধ, যা দাঁতের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে সহায়ক। এই ওষুধটি দাঁতের এনামেলকে শক্তিশালী করে, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি প্রতিহত করে এবং মাড়ির স্বাস্থ্য উন্নত করে। এর নিয়মিত ব্যবহারে দাঁতে ক্যাভিটি বা গর্ত হওয়া, দাঁত শিরশির করা, এবং মাড়ির প্রদাহের মতো সাধারণ সমস্যাগুলো কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা যায়।
মেডিআইটেম ২০ দাঁতের গভীরে পৌঁছে সুরক্ষা স্তর তৈরি করে, যা খাদ্যকণা ও অ্যাসিডের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দাঁতকে রক্ষা করে। এটি শুধুমাত্র রোগের লক্ষণ উপশম করে না, বরং রোগের মূল কারণগুলো মোকাবিলা করে দাঁত ও মাড়িকে সার্বিকভাবে সুরক্ষা প্রদান করে। ফলে, মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং দাঁত হয় মজবুত ও রোগমুক্ত। আপনার দাঁতের সুরক্ষায় (Mediitem 20, চিকিৎসা প্যাকেজ ) একটি নির্ভরযোগ্য সমাধান হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদী সুস্থতা নিশ্চিত করে।

🛑 কেন আপনি আমাদের থেকে নেবেন?
✅ সম্পূর্ণ ন্যাচারাল
✅ হাজার হাজার মানুষ উপকার পেয়েছে।
✅১০০ পার্সেন্ট বিশ্বস্ততার একমাত্র প্রতিষ্ঠান Mediitem .com

========
🛑 কোন সাইড ইফেক্ট নাই।
🚛 ডেলিভারি চার্জ ফ্রি
✅ ব্যবহারবিধি ও নিয়ম প্রোডাক্টের উপরের লেভেলে লিখে দেওয়া হবে।

🛑 অর্ডার করার জন্য
নাম:-
জেলা:-
থানা:-
গ্রাম/এলাকা:-
ফোন নাম্বার:-
এগুলো দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
🚛আমরা পৌঁছে দিব ইনশাল্লাহ।
কল 01845-166188

WhatsApp  0172213829