Sale!

Mediitem 30

Original price was: 1,400.00৳ .Current price is: 1,250.00৳ .

Mediitem 30 ব্রেস্ট টনিক,  ওজন 150 গ্রাম পাউডার, ওজন ১০০ এম এল লিকুইড

Description

Mediitem 30 ব্রেস্ট টনিক

Mediitem 30 ব্রেস্ট টনিক, স্তন সমস্যা বা সন্তান হওয়ার পরে স্তনের দুধ কম হওয়া।
ওজন 150 গ্রাম পাউডার, ওজন ১০০ এম এল টিংচার (লিকুইড)

=====

🛑 অর্ডার করার জন্য
নাম:-
জেলা:-
থানা:-
গ্রাম/এলাকা:-
ফোন নাম্বার:-
এগুলো দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
🚛আমরা পৌঁছে দিব ইনশাল্লাহ।
কল 01845-166188

সন্তান হওয়ার পরে স্তনে দুধ কম হওয়ার কারণ

সন্তান হওয়ার পরে স্তনে দুধ কম আসার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। উল্লেখযোগ্য কিছু কারণ নিচে দেওয়া হলো:
১. স্তন্যপানের ভুল পদ্ধতি বা কৌশল:
* শিশুর স্তন সঠিকভাবে মুখে না নেওয়া (Improper latch): এটি সবচেয়ে সাধারণ কারণ। শিশু যদি স্তনবৃন্ত এবং তার চারপাশের গাঢ় অংশ (areola) সঠিকভাবে মুখে না নেয়, তাহলে সে পর্যাপ্ত দুধ টেনে বের করতে পারে না, ফলে দুধ উৎপাদন কমে যায়।
* কম ঘন ঘন স্তন্যপান করানো: দুধ তৈরির প্রক্রিয়া চাহিদা ও জোগানের ওপর নির্ভরশীল। শিশু যত বেশি দুধ টানবে, তত বেশি দুধ তৈরি হবে। দিনে ও রাতে অন্তত ৮-১২ বার স্তন্যপান করানো উচিত।
* নির্দিষ্ট সময় ধরে অল্প সময়ের জন্য স্তন্যপান করানো: শিশুকে এক স্তন সম্পূর্ণ খালি করতে না দিয়ে অন্য স্তনে দিলে বা অল্প সময় পর পর থামালে দুধের উৎপাদন কমে যেতে পারে।
* অকারণে ফর্মুলা দুধ দেওয়া: শিশুকে ফর্মুলা দুধ খাওয়ালে তার বুকের দুধের চাহিদা কমে যায়, ফলে মায়ের শরীরে দুধ কম তৈরি হয়।
* চুষনি বা ফিডিং বোতলের ব্যবহার (বিশেষ করে প্রথম কয়েক সপ্তাহে): এতে শিশুর স্তন চোষার আগ্রহ বা সঠিক কৌশল কমে যেতে পারে।

২. মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা:
* প্রসবের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ: এর ফলে মায়ের শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে এবং দুধ উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে পারে।
* থাইরয়েড সমস্যা: বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডিজম (কম থাইরয়েড হরমোন) দুধের সরবরাহ কমাতে পারে।
* পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS): কিছু ক্ষেত্রে PCOS দুধ উৎপাদনে বাধা দেয়।
* স্তনের কোনো সার্জারি: যেমন স্তন হ্রাসকরণ (breast reduction) সার্জারি দুধের নালী বা গ্রন্থি ক্ষতিগ্রস্ত করলে দুধ উৎপাদন কম হতে পারে।
* কিছু বিশেষ ওষুধ গ্রহণ: কিছু ঠান্ডা লাগার ওষুধ ( যাতে সিউডোএফেড্রিন থাকে) বা ইস্ট্রোজেনযুক্ত গর্ভনিরোধক পিল দুধের সরবরাহ কমাতে পারে।
* মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও ক্লান্তি: এগুলো দুধ নিঃসরণের (let-down reflex) প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে দুধ উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে।
* ধূমপান বা মদ্যপান: এগুলো দুধ উৎপাদন কমাতে পারে।
* শরীরে পর্যাপ্ত পুষ্টি ও পানির অভাব (গুরুতর ক্ষেত্রে): সুষম খাদ্য এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা দুধ তৈরির জন্য সহায়ক।
* গর্ভফুল বা প্ল্যাসেন্টার কিছু অংশ জরায়ুতে থেকে যাওয়া (Retained placental fragments): এটি খুব বিরল, তবে এমনটা হলে শরীরে প্রোল্যাকটিন হরমোনের কাজে বাধা দেয়, যা দুধ তৈরির জন্য জরুরি।

৩. শিশুর শারীরিক অবস্থা:
* শিশুর মুখে বা জিহ্বায় সমস্যা (যেমন টাং-টাই বা লিপ-টাই): এর ফলে সে সঠিকভাবে দুধ টেনে খেতে পারে না।
* অপরিণত বা কম ওজনের শিশু (Premature or low birth weight baby): এদের চোষার শক্তি কম থাকতে পারে।
* অসুস্থ বা খুব ঘুমন্ত শিশু: যারা ঘন ঘন খেতে চায় না বা খেতে পারে না।

৪. অন্যান্য কারণ:
* স্তনে অপর্যাপ্ত গ্রন্থি টিস্যু (Insufficient Glandular Tissue – IGT): এটি একটি বিরল অবস্থা যেখানে স্তনে দুধ তৈরির জন্য পর্যাপ্ত গ্রন্থি তৈরি হয় না।
* দেরিতে স্তন্যপান শুরু করা: জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব (সাধারণত এক ঘণ্টার মধ্যে) স্তন্যপান শুরু করা উচিত।

করণীয়:
অনেক সময় মায়েরা মনে করেন তাদের দুধ কম হচ্ছে, কিন্তু আসলে তা নাও হতে পারে। শিশুর ওজন বৃদ্ধি, দিনে ৬-৮ বার প্রস্রাব করা, এবং সজাগ ও সক্রিয় থাকা পর্যাপ্ত দুধ পাওয়ার লক্ষণ।