Sale!

Mediitem 34

Original price was: 1,200.00৳ .Current price is: 1,000.00৳ .

Mediitem 34 ( জিনসেং প্লাস পাউডার ) ওজন 300 গ্রাম পাউডার

Description

Mediitem 34 ( জিনসেং প্লাস পাউডার )

Mediitem 34 ( জিনসেং প্লাস পাউডার ) ওজন 300 গ্রাম পাউডার

যে কোন প্রকারের যৌ*ন দুর্বলতায় ও হরমোন বৃদ্ধিতে বাজিমাত:
#জিনসেং #শতমূল #বীর্যমনি #শিমুলমূল #অশ্বগন্ধা , অন্যান্য উপাদান যাহা শরীরকে সুস্থ রাখে এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধান করে।

জিনসেং প্লাস পাউডার
🛑 যে কোন প্রকারের যৌন সমস্যায়
🛑 যৌন -দুর্বলতা ও হরমোন বৃদ্ধিতে বাজি-মাত।
🛑 টাইম বৃদ্ধির জন্য
🛑টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধির জন্য সেরা
🛑এটি সম্পূর্ণ ন্যাচারাল তাই কোনো সাইড*ইফেক্ট নাই

খাবার নিয়ম সেরা পদ্ধতি:

1 গ্লাস পানিতে মিলিয়ে 2 চামচ করে 2 বার সকালে হালকা খাবার খেয়ে এবং রাতে খাবার 1 ঘন্টা পূর্বে ।

জিনসেং প্লাস পাউডার যাদের জন্য প্রয়োজন

✅ যাদের দ্রুত পতন হয় বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারছেন না।
✅ সোজা হয় না, নরম, নেতিয়ে যায় বা দ্বিতীয়বার ইচ্ছা জাগে না।
✅ ১,২ মিনিটের বেশি টিকতে পারছেন না।
✅ মনে চায় কিন্তু আপনি পারছেন না।
✅ তাড়াতাড়ি বীর্য বের হয়ে যায়।
✅ হস্তমৈথুনের অভ্যস্ত বা যেকোনো যৌন দুর্বলতার জন্য আমাদের এই প্যাকেজটি সেবন করেন।

Health Benefits of Ginseng Plus Powder

Health Benefits of Ginseng Plus Powder
যৌন দুর্বলতায় উপকারিতা
✅ পুরুষের যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে।
✅ দ্রুত বীর্যপাত বন্ধ করে।
✅ পুরুষের যৌন চাহিদা পুরোপুরি মেটাতে সক্ষম।
✅টেস্টোস্টে রন হরমোন বৃদ্ধি করে।
✅ এটি সঠিক নিয়মে সেবন করলে যৌবন সারা জীবন ধরে রাখা সম্ভব।
✅ মানসিক প্রশান্তি আনয়ন করে।
✅উদ্যম ও পরিশ্রমী হওয়ার সহায়তা করে।
✅রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়।
✅যৌন দু র্ব ল তা জনিত মানসিক সমস্যা সমাধান করা।
✅ অফিশিয়াল বা সকল কাজে মনোযোগ বাড়িয়ে দেয়।
✅ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের চিন্তা চেতনা বাড়িয়ে দেয়।
✅ লিঙ্গ বড় ও মোটা করে।
✅ হরমোন বৃদ্ধিতে দারুন কাজ করে।
✅ নারী ও পুরুষের বন্ধ্যাত্ব রোগের উপকার পাওয়া যায়।
✅ শারীরিক লাবণ্যতা বাড়িয়ে দেয়।
✅ স্ট্রোক প্রতিরোধ করে।
✅পুরুষত্বহীনতা।
✅ মহিলাদের যৌন শক্তি বৃদ্ধি পাবে পরীক্ষিত।
✅ বন্ধত্ব রোগে মহিলা ও পুরুষ উভয় সেবন করতে পারবে। যাদের সন্তা ন হয় না ইনশাআল্লাহ ২ থেকে ৩ মাস সেবন করলে ভালো ফলাফল পাবেন।

Mediitem 34 ( জিনসেং প্লাস পাউডার ) পুরুষদের টেস্টো স্টেরন হরমোন বা শুক্রাণুর সমস্যা সমাধান।

🛑টেস্টোস্টেরন হরমোন:
টেস্টোস্টেরন হরমোনের অভাবে পুরুষের যৌন চাহিদা, মানসিক শক্তি ইত্যাদি ক্রমশ পরিবর্তিত হতে থাকে। টেস*টো*সটেরনের মাত্রা কম থাকলে একজন পুরুষের ব য়ঃসন্ধি শুরু হতে দেরি হয়।
১২ বছর থেকে পু রুষদের এই হরমোন তৈরি হতে থাকে আর কুড়ি বছর বয়সে তা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছয় এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই হরমোনের লেভেল কমতে থাকে। কিন্তু বর্তমানে আনহেলদি লাইফস্টাইলের কারণে টেস্টোটে*রনের সঠিক লেভেল মেনটেন করা সম্ভব হয় না। টেস্টোস্টেরন হরমোনের ঘাটতির জেরে পুরুষের যৌন ক্ষমতা, তাদের যৌ ন আ কাঙ্ক্ষা মিটছে না।
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের দেহে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রতি ডেসিলিটার রক্তে ২৭০ থেকে ১০৭০ ন্যানোগ্রাম। মহিলাদের জন্য 15 থেকে 70 ng/dL.
পর্যাপ্ত পরিমাণ টে*স্টো স্টে রন পুরু ষ দেহে না থাকলে সেই পুরুষের ব ন্ধ্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। টে স্টো স্ট রন হ র মোনের অভাবে পু রুষের যৌন চাহিদা, মানসিক শক্তি পরিবর্তিত হতে থাকে। টে স্টো স্টে র নের ঘাটতির কারণ সমূহের মধ্যে মানসিক অবসাদ, অলসতা উল্লেখযোগ্য।
গড়ে ৩০ বছর বয়স হওয়ার পরে এর মাত্রা প্রতিবছর ১% করে কমে; সাধারণত ৭০ বছর বয়স্ক পুরুষের শরীরে এর মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধেক কমে যায়। কারও কারও এ মাত্রা আরও কমে যেতে পারে।

টেস্টোস্টেরন কি?

টেস্টোস্টেরন কি?
টেস্টোস্টেরন হচ্ছে এক ধরনের হ রমোন যা পু রুষের মধ্যে পু রুষালি বৈশিষ্ট্যের বিকাশ ঘটায়। টেস্টোস্টেরণ মূলত পুরুষের যৌন উত্তে-জনা-মূলক হরমোন যা পুরুষের শু ক্রা শয় উৎপন্ন হয়। তবে টে স্টো স্টে রন নারী দেহেও থাকে কিন্তু তা পরিমাণে কম।
যৌ-ন উদ্দিপনা ছাড়াও শারীরিক বিভিন্ন কার্যাদি সম্পন্ন করতেও ভূমিকা রাখে টেস্টোস্টেরন। টেস্টোস্টেরণ পরিপক্ক শুক্রাণুর বিকাশে সহায়তা করে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথের মতে, “টেস্টোস্টেরন একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন যা যৌ-নন্নয়ন, শারিরীক শক্তি ও দৈনিক কার্যক্ষমতা এবং লোহিত র*ক্তকণিকা নিয়ন্ত্রণ করে। ”
মহিলাদের ডিম্বাশয়েও কিছু পরিমাণ টেস্টোস্টেরণ উৎপন্ন হলেও তার ঘনত্ব ও পরিমাণ পুরুষের টেস্টোস্টেরণের তুলনায় কম।
মস্তিষ্ক এবং পিটুইটারি গ্রন্থি টেস্টোস্টে”রনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। দেহে উৎপাদিত টেস্টোস্টেরন রক্তের মধ্য দিয়ে চলে দেহের বিভিন্ন কার্যাদি সম্পন্ন করে।

যে লক্ষণগুলো দেখলে বুঝবেন আপনার টেস্টোস্টেরন হরমোনের ঘাটতি রয়েছে।

১) আচরণে পরিবর্তন
২) যৌ-নক্ষমতায় কমে যাওয়া : সে ক্সের প্রতি আগ্রহের অভাব, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অনেক পুরুষই যৌ*ন মিলনে লিপ্ত হওয়ার ইচ্ছে হারিয়ে ফেলেন।
৩) লি*ঙ্গ শক্ত কম হয় এবং বেশিক্ষণ স্ট্রং রাখতে পারেনা।
৪) অবসাদ যেমন- অল্প কাজেই ক্লান্তি চলে আসা, বা দুর্বল ভাব
৫) চুল পড়া
৬) অ*ন্ডকোষ ছোট হওয়া
৭) রক্তসল্পতা
৮) অতিরিক্ত পেটের ভুড়ি বা চর্বি, ওজন বৃদ্ধি পায়।
৯) পি টু ইটারি থেকে কম হরমোন নিঃসৃত হওয়া
১০) হাড় ও দাঁতের ক্ষয় হওয়া
১১) পু রুষদের অন্ডো”কোষ স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট
১২) মনোযোগের অভাব বা ভুলে যাওয়া।
১৩) চুল পড়ে যাওয়া
১৪) ঘুম না হওয়া
১৫) শু ক্রা ণুর সংখ্যা কম
১৬) পু রুষদের ব*ন্ধ্যা হওয়া (সন্তান হওয়ার অক্ষমতা)

টেস্টোস্টেরন হরমোন কমে যায় কেন

অতিরিক্ত গরম জায়গায় বাস করলে, কাজ করলে, বাসের ইঞ্জিনের উপর বসে থাকলে শারীরিক তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে যা এই হর*মোনের ক্ষতি করে। পরিবেশে কিছু ক্ষতিকর উপাদানের কারণে টেস্টো*স্টেরন হরমোনের ঘাটতিকে প্রশমিত করতে পারে। রক্তে শর্করার পরিমাণ যাদের বেশি বা যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের টে স্টো স্টে রনের ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।
আঘাতজনিত কারণ বা দুর্ঘটনার কারণে যদি কারো অণ্ড কোষ ক্ষতি*গ্রস্ত হয়, জীনগত সমস্যা থাকে, তাহলে এই হরমোনের ঘাটতি থাকতে পারে। কারো যদি জন্মগতভাবে অণ্ড*কোষ না থাকে বা সেটি যদি পরিপূর্ণ গঠিত না থাকে, ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থাকে, যৌ*ন সংক্রমণজনিত রোগ থাকে, কোনো ভাইরাসের সংক্রমণ থাকে, বা টিউমার থাকে তাহলেও টেস্টোস্টে রনের উৎপাদন কমে যেতে পারে।
এছাড়া মস্তিষ্কে আঘাত পেলে, লিভার সিরোসিস, কিডনির সংক্রমণ, অতিরিক্ত মদ্যপান, ঘুমে সমস্যা বা স্লিপ অ্যাপনিয়া এবং মানসিক রোগের চি কিৎ সায় ও ষুধ সেবন করলেও এই হর মোনের ঘাটতি তৈরি হতে পারে।

টেস্টোস্টেরন হরমোন নিয়ে বিশেষজ্ঞদের আলোচনা

✅ যুক্তরাষ্ট্রের অলাভজনক অ্যাকাডেমিক মেডিকেল সেন্টার ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের তথ্য অনুযায়ী, কম টেস্টোস্টেরনের যেসব উপসর্গ থাকে তার মধ্যে রয়েছে: যৌ-ন তাড়না কমে যাওয়া,যৌ নাঙ্গ উত্থানে অক্ষমতা,যৌ-ন মিলনে অ*ক্ষমতা, অণ্ড কোষ সঙ্কুচিত হওয়া,শু ক্রাণুর উৎপাদন কমে যাওয়া ও বন্ধ্যাত্ব। এছাড়াও ঘুমে সমস্যা, মনোযোগে সমস্যা, কাজে উৎসাহ না পাওয়া, মাংস পেশী ও শক্তি কমে যাওয়া, হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া, পু রু ষদের স্তন গঠিত হওয়া, বিষণ্ণতা, ক্লান্তি ও অবসাদ।
✅বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহজাদা সেলিম বলেন,‘বয়ঃসন্ধিকাল পর্যন্ত এই হ রমোন খুব বেশি মাত্রায় না বাড়লেও ছেলেদের মধ্যে এটির মাত্রা বেশি থাকে। বয়ঃসন্ধিকালের পর এই হ র মোনের মাত্রাটা হঠাৎ করে বেড়ে যায় এবং সে একজন পরিপূর্ণ পুরুষ হওয়ার জন্য তৈরি হয়। ওর দাঁড়ি-গোঁফ তৈরি হওয়া থেকে শুরু করে যৌনাঙ্গের পরিপক্বতা, জননাঙ্গের পরিপূর্ণ আকার, ঘাম, মানসিকভাবে পু রুষালি আচরণ- টোটালটাই এই হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তখন।’
অধ্যাপক ডা. শাহজাদা সেলিম বলেন ’আমরা সহজ করে বলে থাকি, একটা পুরুষ দাঁড়িয়ে থাকে টে স্টো স্টেরন লেভেলের উপরে। এই লেভেলে ঘাটতি হলে বা বেশি হলে সমস্যা হতে পারে। তবে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। কারো কারো স্বাভাবিক আছে, কারো কারো কম আছে, এই সম্ভাবনাই বেশি।
✅যুক্তরাষ্ট্রের টুইন্সবার্গ ফ্যামিলি হেলথ এন্ড সার্জারি সেন্টারের এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট কেভিন এম প্যান্টালোন বলেন, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার মধ্যেই টে স্টো স্টেরন হরমোন থাকে। তবে পুরু ষের মধ্যে এই হরমোনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বেশি থাকে। যার কারণে পুরুষের প্র জনন কার্যক্রম বিকাশ লাভ করে ও যৌ নাঙ্গ গঠিত হয়।
✅ হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের অধীনে হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিং এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, টে স্টো স্টে রনের এর ফলে হাড় এবং মাংস পেশীর গঠন প্রভাবিত হয়। ছেলেদের হাড় ও মাংসপেশীর ঘনত্ব বাড়ে, রক্তে লোহিত কণিকার উৎপাদন বাড়ে, কণ্ঠস্বরে পরিবর্তন হয়ে তা ভারী হয়, মুখে দাড়ি হয়, শরীরের অন্যান্য অংশ লোম বাড়ে, যৌ নাঙ্গের বৃদ্ধি ঘটে। একই সাথে যৌ ন ক্রিয়া এবং প্রজনন সক্ষমতা জাগ্রত হয়।
টে স্টো স্টে রনের মাত্রা সর্বোচ্চ ১৭ বছর বয়সে এবং পরবর্তী দুই বা তিন দশক এর মাত্রা বেশিই থাকে। গড়ে একজন স্বাস্থ্যবান পুরুষ দিনে ছয় মিলিগ্রামের মতো টে স্টো স্টেরন উৎপাদন করে।
✅ হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিং-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাভাবিক পুরুষদের মধ্যে বিভিন্ন মাত্রায় টেস্টোস্টেরন থাকার কথা জানা যায়। প্রতি ডেসিলিটারে ২৭০ থেকে শুরু করে ১০৭০ ন্যানোগ্রাম পর্যন্ত টেস্টোস্টেরন থাকতে পারে। প্রতি ২৪ ঘণ্টায় টেস্টোস্টেরেনের মাত্রা উঠানামা করে। সকাল আটটায় এই হরমোনের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি থাকে। আর সবচেয়ে কম থাকে রাত ৯টায়।
টেস্টোস্টেরনের ঘাটতি পুরুষদের বিকৃত যৌন আচরণের অন্যতম কারণ। টে স্টো স্টে রনের ঘাটতির কারণে পারফর্মেন্স খুব কমে গেছে, তখন সে পার্ভার্টেড কিছু অ্যাক্টিভিটির দিকে ধাবিত হয়। যাদের ক্ষেত্রে হরমোনের ঘাটতি খুব দ্রুত হয় তারা বুঝতে পেরে চিকিৎসা নিয়ে থাকে। কিন্তু যাদের মধ্যে ধীরে ধীরে হয়, সে এর সাথে খাপ-খাইয়ে নিতে নিতে বিকৃত যৌন আচরণের প্রতি আকৃষ্ট হয়।