Sale!

Mediitem 38

Original price was: 1,250.00৳ .Current price is: 1,100.00৳ .

Mediitem 38 ( যে কোন প্রকার পা ফাটায়ে )

Description

Mediitem 38 ( যে কোন প্রকার পা ফাটায়ে )

Mediitem 38 ( যে কোন প্রকার পা ফাটায়ে )

খুচরা মূল্য ১২৫০ টাকা
ওজন 150 গ্রাম পাউডার
ওজন 100 এম এল (লিকুইড)
ওজন 30 এম এল মালিশ (লিকুইড)

🛑 অর্ডার করার জন্য
নাম:-
জেলা:-
থানা:-
গ্রাম/এলাকা:-
ফোন নাম্বার:-
এগুলো দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
🚛আমরা পৌঁছে দিব ইনশাল্লাহ।
কল 01845-166188

পা ফাটা রোগ (cracked heels)

পা ফাটা একটি সাধারণ সমস্যা, বিশেষ করে শুষ্ক আবহাওয়ায় বা যাদের ত্বক জন্মগতভাবে শুষ্ক তাদের ক্ষেত্রে এটি বেশি দেখা যায়। একে ইংরেজিতে ‘cracked heels’ বা ‘heel fissures’ বলা হয়।

পা ফাটার প্রধান কারণগুলো হলো:

শুষ্ক ত্বক: এটি পা ফাটার প্রধান কারণ। শরীরের অন্যান্য অংশের ত্বকের তুলনায় পায়ের তলার ত্বক বেশি শুষ্ক হতে পারে কারণ এখানে তৈলগ্রন্থি (sebaceous glands) কম থাকে।
শরীরে জলের অভাব (Dehydration): পর্যাপ্ত জল পান না করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যেতে পারে।
দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা: বিশেষ করে শক্ত মেঝেতে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে গোড়ালির উপর চাপ পড়ে এবং ত্বক প্রসারিত হয়ে ফেটে যেতে পারে।
খালি পায়ে হাঁটা: রুক্ষ বা অমসৃণ জায়গায় খালি পায়ে হাঁটলে পায়ের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অতিরিক্ত ওজন: শরীরের ওজন বেশি হলে পায়ের গোড়ালির উপর বেশি চাপ পড়ে, যা পা ফাটার কারণ হতে পারে।
ভুল মাপের বা খোলা জুতো: খুব টাইট বা পেছন দিকে খোলা (যেমন ফ্লিপ-ফ্লপ) জুতো পরলে গোড়ালির ত্বক সঠিকভাবে সাপোর্ট পায় না এবং পাশে প্রসারিত হয়ে ফেটে যেতে পারে।
কিছু সাবান: ক্ষারযুক্ত বা কড়া রাসায়নিকযুক্ত সাবান ত্বকের স্বাভাবিক তেল শুষে নিয়ে ত্বককে শুষ্ক করে দেয়।
বয়স বৃদ্ধি: বয়স বাড়ার সাথে সাথে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা কমে যায় এবং ত্বক শুষ্ক হতে শুরু করে।
কিছু শারীরিক অবস্থা: যেমন – একজিমা, সোরিয়াসিস, থাইরয়েডের সমস্যা, ডায়াবেটিস ইত্যাদি রোগ পা ফাটার ঝুঁকি বাড়ায়। কারণ এই রোগগুলো ত্বকের শুষ্কতা বাড়িয়ে দেয় বা রক্ত সঞ্চালন কমিয়ে দেয়।
ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের অভাব: জিঙ্ক, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ইত্যাদির অভাব ত্বককে শুষ্ক করতে পারে।
ঠাণ্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়া: শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় ত্বক শুষ্ক হয়ে পা ফেটে যায়।

পা ফাটার লক্ষণ:

পায়ের গোড়ালির চামড়া শুকনো, খসখসে ও শক্ত হয়ে যাওয়া।
চামড়ায় হালকা থেকে গভীর ফাটল দেখা দেওয়া।
ফাটল হলুদ বা বাদামী রঙের হতে পারে।
গুরুতর ক্ষেত্রে ফাটল থেকে রক্ত পড়া।
হাঁটার সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া অনুভব করা।
সংক্রমণ হলে ফাটল লাল হয়ে যাওয়া, ফুলে যাওয়া বা পুঁজ জমা।

প্রতিকার ও ঘরোয়া যত্ন:

পা পরিষ্কার রাখা: প্রতিদিন হালকা গরম জলে মৃদু সাবান দিয়ে পা পরিষ্কার করুন।
ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার: পা ধোয়ার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে পেট্রোলিয়াম জেলি, গ্লিসারিন বা ভালো মানের ফুট ক্রিম/ময়েশ্চারাইজার (ইউরিয়া, স্যালিসাইলিক অ্যাসিড বা ল্যাকটিক অ্যাসিড যুক্ত) গোড়ালিতে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে লাগান।
পা ভিজিয়ে রাখা (Foot Soak): সপ্তাহে ২-৩ বার হালকা গরম জলে ১৫-২০ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। জলে সামান্য সৈন্ধব লবণ বা শ্যাম্পু মেশাতে পারেন। এরপর পা নরম হলে পিউমিস স্টোন (pumice stone) বা ফুট ফাইল দিয়ে আলতো করে ঘষে মরা চামড়া তুলে ফেলুন। খুব জোরে ঘষবেন না।
মোজা পরা: ময়েশ্চারাইজার লাগানোর পর সুতির মোজা পরে ঘুমালে উপকার পাওয়া যায়। এটি আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
সঠিক জুতো নির্বাচন: নরম সোলের, পা ঢাকা এবং সঠিক মাপের জুতো পরুন। হিল বা খোলা জুতো এড়িয়ে চলুন।
প্রচুর জল পান করা: শরীরকে ভেতর থেকে আর্দ্র রাখতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন।
পুষ্টিকর খাবার: ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাবার, বিশেষ করে জিঙ্ক ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন।