Description
অর্শ (পাইলস) ও কোষ্ঠকাঠিন্য — এই দুই রোগেই ইসবগুলের ভুষি (Psyllium Husk) একটি অত্যন্ত কার্যকর প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে পরিচিত। নিচে এর বিস্তারিত উপকারিতা দেওয়া হলো 👇
🌿 ইসবগুলের ভুষির উপকারিতা অর্শ ও কোষ্ঠকাঠিন্যে
🩸 ১. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
ইসবগুলের ভুষি পানিতে গলে জেল জাতীয় পদার্থ তৈরি করে, যা মলকে নরম করে ও সহজে বের হতে সাহায্য করে।
ফলে দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় এবং মলত্যাগের নিয়ম ঠিক থাকে।
💧 ২. অর্শের ব্যথা ও রক্তপাত কমায়
মল নরম হওয়ার কারণে মলত্যাগের সময় চাপ কম পড়ে।
এতে অর্শের ফোলা ও ব্যথা কমে এবং রক্তপাত বন্ধে সাহায্য করে।
🌸 ৩. আন্ত্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়
ইসবগুলের ভুষি প্রোবায়োটিকের মতো কাজ করে, যা অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ঘটায়।
এতে হজম শক্তি বাড়ে এবং গ্যাস বা অম্বল কমে যায়।
🍃 ৪. দেহ থেকে টক্সিন বের করে দেয়
নিয়মিত ইসবগুল খেলে অন্ত্র পরিষ্কার থাকে এবং শরীর থেকে জমে থাকা বর্জ্য পদার্থ বের হয়ে যায়।
এটি অর্শসহ অন্যান্য হজমজনিত সমস্যারও উপশম করে।
⚖️ ৫. ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
এটি পেটে ফুলে থাকে, ফলে ক্ষুধা কম লাগে ও অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়।
ওজন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি হজম প্রক্রিয়াও ঠিক রাখে।
🕒 খাওয়ার নিয়ম
১–২ চা চামচ ইসবগুলের ভুষি এক গ্লাস পানিতে বা দুধে মিশিয়ে রাতের খাবারের ৩০ মিনিট পরে খাওয়া যেতে পারে।
খাওয়ার পর অবশ্যই পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে, নাহলে উল্টো কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়তে পারে।


