Sale!

Mediitem 26

Original price was: 1,400.00৳ .Current price is: 1,250.00৳ .

Mediitem 26 ( হার্নিয়া )ওজন ১৫০ গ্রাম পাউডার, ওজন ১০০ এম এল টিংচার

Description

Mediitem 26 ( হার্নিয়া ) বিনা অপারেশনে হার্নিয়া থেকে স্থায়ী মুক্তি

Mediitem 26 ( হার্নিয়া ) বিনা অপারেশনে হার্নিয়া থেকে স্থায়ী মুক্তি পেতে আমাদের এই হোমিওপ্যাথিক প্যাকেজ নিতে পারেন

ওজন ১৫০ গ্রাম পাউডার, ওজন ১০০ এম এল টিংচার

=========

🛑 অর্ডার করার জন্য
নাম:-
জেলা:-
থানা:-
গ্রাম/এলাকা:-
ফোন নাম্বার:-
এগুলো দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
🚛আমরা পৌঁছে দিব ইনশাল্লাহ।
কল 01845-166188

========

হার্নিয়া কী? (What is Hernia?)

হার্নিয়া হলো শরীরের অভ্যন্তরীণ কোনো অঙ্গ বা টিস্যুর অংশ যখন চারপাশের মাংসপেশি বা সংযোজক কলার (connective tissue) দুর্বল স্থান ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, এটি শরীরের কোনো দুর্বল অংশ দিয়ে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বেরিয়ে আসা।

হার্নিয়ার কারণ (Causes of Hernia):

হার্নিয়া সাধারণত মাংসপেশির দুর্বলতা এবং অতিরিক্ত চাপের সম্মিলিত কারণে হয়ে থাকে। কিছু প্রধান কারণ হলো:
জন্মগত দুর্বলতা: কিছু মানুষ জন্মগতভাবেই শরীরের নির্দিষ্ট কিছু স্থানের মাংসপেশিতে দুর্বলতা নিয়ে জন্মায়।
বয়স বৃদ্ধি: বয়সের সাথে সাথে মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যায়, যা হার্নিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা হাঁচি: অতিরিক্ত এবং দীর্ঘ সময় ধরে কাশি বা হাঁচি পেটের উপর চাপ সৃষ্টি করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য: মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ দেওয়া।
ভারী জিনিস তোলা: হঠাৎ করে বা নিয়মিত ভারী জিনিস তোলার সময় পেটে চাপ পড়ে।
স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন: শরীরের অতিরিক্ত ওজন মাংসপেশির উপর চাপ বাড়ায়।
গর্ভধারণ: গর্ভাবস্থায় পেটের মাংসপেশি প্রসারিত ও দুর্বল হতে পারে।
অস্ত্রোপচার: পূর্ববর্তী কোনো অস্ত্রোপচারের স্থান দুর্বল হয়ে হার্নিয়া হতে পারে (ইনসিশনাল হার্নিয়া)।
ধূমপান: ধূমপান সংযোজক কলা দুর্বল করে এবং কাশির উদ্রেক করে হার্নিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
প্রোস্টেট গ্রন্থির বৃদ্ধি: এর ফলে প্রস্রাবের সময় চাপ দিতে হয়।

হার্নিয়ার প্রকারভেদ (Types of Hernia):

হার্নিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে হতে পারে এবং সে অনুযায়ী এর বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে:
ইনগুইনাল হার্নিয়া (Inguinal Hernia): এটি সবচেয়ে সাধারণ প্রকার এবং পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। কুঁচকির (groin) ভেতরের দিকে এই হার্নিয়া হয়। অন্ত্রের অংশ ইনগুইনাল ক্যানেল দিয়ে বেরিয়ে আসে।
ফিমোরাল হার্নিয়া (Femoral Hernia): এটিও কুঁচকির কাছে হয় তবে একটু নিচের দিকে, উরুর উপরের অংশে। মহিলাদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়।
আম্বিলিকাল হার্নিয়া (Umbilical Hernia): এটি নাভির চারপাশে হয়। নবজাতক শিশুদের মধ্যে এটি সাধারণ, তবে প্রাপ্তবয়স্কদেরও হতে পারে, বিশেষ করে স্থূলকায় মহিলা বা একাধিকবার গর্ভধারণকারী মহিলাদের।
ইনসিশনাল বা ভেন্ট্রাল হার্নিয়া (Incisional or Ventral Hernia): পেটের কোনো পূর্ববর্তী অস্ত্রোপচারের কাটা স্থানের দুর্বলতা দিয়ে এই হার্নিয়া হয়।
হায়াটাল হার্নিয়া (Hiatal Hernia): এক্ষেত্রে পাকস্থলীর কিছু অংশ বুকের গহ্বরে ডায়াফ্রামের (বুক ও পেটের মাঝের পর্দা) ছিদ্র দিয়ে ওপরে উঠে আসে। এর ফলে বুকজ্বালা বা গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD) হতে পারে।
এপিগ্যাস্ট্রিক হার্নিয়া (Epigastric Hernia): এটি নাভি ও বুকের মধ্যবর্তী স্থানে, পেটের মাঝ বরাবর হয়ে থাকে।

হার্নিয়ার লক্ষণ (Symptoms of Hernia):

হার্নিয়ার লক্ষণগুলো এর প্রকার ও তীব্রতার উপর নির্ভর করে। সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:
ফোলা বা স্ফীতি: আক্রান্ত স্থানে একটি ফোলা বা পিন্ড দেখা যায়, যা শোয়া অবস্থায় বা চাপ দিলে কমে যেতে পারে। কাশি দিলে, চাপ দিলে বা দাঁড়ালে এটি স্পষ্ট হয়।
ব্যথা বা অস্বস্তি: আক্রান্ত স্থানে হালকা থেকে তীব্র ব্যথা হতে পারে, বিশেষ করে ভারী কিছু তোলার সময়, কাশির সময় বা দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে।
ভারী অনুভূতি: আক্রান্ত স্থানে ভারী বা টানটান লাগতে পারে।
জ্বালাপোড়া বা চিনচিনে ব্যথা: ফোলা স্থানের চারপাশে জ্বালাপোড়া বা চিনচিনে অনুভূতি হতে পারে।
হায়াটাল হার্নিয়ার ক্ষেত্রে: বুকজ্বালা, মুখে টক স্বাদ, খাবার গিলতে অসুবিধা, বুকে ব্যথা ইত্যাদি।

রোগ নির্ণয় (Diagnosis):

সাধারণত শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমেই ডাক্তার হার্নিয়া নির্ণয় করতে পারেন। ডাক্তার আক্রান্ত স্থান পর্যবেক্ষণ করবেন এবং কাশি দিতে বা চাপ দিতে বলতে পারেন। কিছু ক্ষেত্রে আলট্রাসনোগ্রাম, সিটি স্ক্যান বা এমআরআই এর প্রয়োজন হতে পারে, বিশেষ করে হায়াটাল হার্নিয়া বা জটিল ক্ষেত্রে।

চিকিৎসা (Treatment):

হার্নিয়ার চিকিৎসা সাধারণত এর আকার, লক্ষণ এবং রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উপর নির্ভর করে।
পর্যবেক্ষণ: যদি হার্নিয়া ছোট থাকে এবং কোনো উপসর্গ না থাকে, তাহলে ডাক্তার কিছুদিন পর্যবেক্ষণে রাখতে পারেন।
সাপোর্ট/ট্রাস (Support/Truss): কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক আরামের জন্য ট্রাস বা বিশেষ বেল্ট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হতে পারে, তবে এটি হার্নিয়ার স্থায়ী সমাধান নয়।
অস্ত্রোপচার (Surgery): বেশিরভাগ হার্নিয়ার স্থায়ী সমাধান হলো অস্ত্রোপচার। দুই ধরনের প্রধান অস্ত্রোপচার পদ্ধতি রয়েছে:
ওপেন সার্জারি (Open Surgery): আক্রান্ত স্থানের কাছে চামড়া কেটে হার্নিয়াটি ভেতরে পাঠানো হয় এবং দুর্বল স্থানটি সেলাই করে বা সিনথেটিক জাল (mesh) বসিয়ে মেরামত করা হয়।
ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি (Laparoscopic Surgery): পেটে ছোট ছোট কয়েকটি ছিদ্র করে ক্যামেরা ও বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে এই অপারেশন করা হয়। এতে সাধারণত ব্যথা কম হয় এবং রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে।

হার্নিয়ার জটিলতা (Complications of Hernia):

চিকিৎসা না করালে হার্নিয়া থেকে কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে:
ইনকারসারেশন (Incarceration): যখন হার্নিয়ার বেরিয়ে আসা অংশ আটকে যায় এবং সহজে ভেতরে ফেরত পাঠানো যায় না।
স্ট্র্যাঙ্গুলেশন (Strangulation): এটি একটি মারাত্মক জটিলতা। যখন আটকে যাওয়া অন্ত্রের অংশে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, তখন টিস্যু মরে যেতে পারে (gangrene) এবং জীবনহানির আশঙ্কা থাকে। এর জন্য জরুরি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন।

হার্নিয়া প্রতিরোধ (Prevention):

সম্পূর্ণভাবে হার্নিয়া প্রতিরোধ করা সবসময় সম্ভব না হলেও কিছু পদক্ষেপ ঝুঁকি কমাতে পারে:
সঠিক পদ্ধতিতে ভারী জিনিস তুলুন (হাঁটু ভাঁজ করে, কোমর সোজা রেখে)।
স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন।
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে আঁশযুক্ত খাবার খান ও পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
দীর্ঘস্থায়ী কাশির চিকিৎসা করান।
ধূমপান ত্যাগ করুন।
নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করে মাংসপেশি সচল রাখুন।

 

বিনা অপারেশনে হার্নিয়া থেকে স্থায়ী মুক্তি পেতে আমাদের এই প্যাকেজ নিতে পারেন