Description
Mediitem 29 ( রুচি বৃদ্ধির জন্য বা বাচ্চারা খেতে না চাইলে )
ওজন ১০০ এম এল টিংচার (লিকুইড)
১০ বছরেও ঔষধ নষ্ট হবে না
==========
🛑 অর্ডার করার জন্য
নাম:-
জেলা:-
থানা:-
গ্রাম/এলাকা:-
ফোন নাম্বার:-
এগুলো দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
🚛আমরা পৌঁছে দিব ইনশাল্লাহ।
কল 01845-166188
বাচ্চারা কেন খাইতে চায় না
বাচ্চাদের খেতে না চাওয়ার অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে। এগুলো বয়স, শারীরিক অবস্থা এবং পারিপার্শ্বিকতার ওপর নির্ভর করে। কিছু সাধারণ কারণ নিচে দেওয়া হলো:
১. শারীরিক অসুস্থতা:
* পেটে ব্যথা, গ্যাস বা কোষ্ঠকাঠিন্য: হজমের সমস্যা হলে বা কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে বাচ্চারা খেতে চায় না।
* জ্বর, সর্দি-কাশি বা গলা ব্যথা: অসুস্থ থাকলে স্বাভাবিকভাবেই খাওয়ার রুচি কমে যায়।
* দাঁত ওঠা: দাঁত ওঠার সময় মাড়িতে ব্যথা বা অস্বস্তি হওয়ার কারণে শিশুরা খেতে কষ্ট পায়।
* কৃমি: পেটে কৃমি হলেও খাবারে অরুচি দেখা দিতে পারে।
* খাদ্যে অ্যালার্জি বা অসহিষ্ণুতা: কোনো বিশেষ খাবারে অ্যালার্জি থাকলে বা সহ্য না হলে শিশু সেটি খেতে চায় না।
২. মনস্তাত্ত্বিক ও আচরণগত কারণ:
* স্বাধীনতার ইচ্ছা: বিশেষ করে ১-৩ বছরের বাচ্চারা নিজেদের স্বাধীনতা প্রকাশ করতে চায় এবং ‘না’ বলতে শেখে। খাবার প্রত্যাখ্যান করা এর একটি অংশ হতে পারে।
* খাবার নিয়ে জোর করা: জোর করে খাওয়ালে বা বকাঝকা করলে খাবারের প্রতি শিশুর মনে একটা নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়, ফলে সে খেতে চায় না।
* মনোযোগ আকর্ষণ: অনেক সময় বাবা-মায়ের মনোযোগ পাওয়ার জন্যও বাচ্চারা খেতে চায় না।
* খেলার প্রতি বেশি মনোযোগ: শিশুরা খেলতে বেশি ভালোবাসে। খেলার মাঝে খাওয়ার চেয়ে তাদের কাছে খেলাটাই বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়।
* নতুন খাবারের প্রতি অনীহা: অনেক শিশুই নতুন ধরনের খাবার সহজে গ্রহণ করতে চায় না। স্বাদ, গন্ধ বা গঠন তাদের কাছে অপরিচিত মনে হতে পারে।
৩. খাবার ও পরিবেশগত কারণ:
* খাবারের স্বাদ বা গন্ধ পছন্দ না হওয়া: অনেক সময় শিশুরা কোনো বিশেষ খাবারের স্বাদ, গন্ধ বা টেক্সচার পছন্দ করে না।
* খাবার আকর্ষণীয় না হওয়া: খাবার দেখতে আকর্ষণীয় না হলে বা একঘেয়েমিপূর্ণ হলে শিশুরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
* অতিরিক্ত স্ন্যাকস: মূল খাবারের আগে বা মাঝে বেশি স্ন্যাকস (যেমন চিপস, বিস্কুট, চকলেট) খেলে পেট ভরে যায়, ফলে মূল খাবার খেতে চায় না।
* অনিয়মিত খাবারের সময়: নির্দিষ্ট সময়ে না খাইয়ে যখন-তখন খাওয়ালে শিশুর খাওয়ার রুটিন নষ্ট হয়ে যায়।
* মনোযোগ বিক্ষেপকারী পরিবেশ: খাওয়ার সময় টিভি, মোবাইল বা খেলনা নিয়ে ব্যস্ত থাকলে খাবারের প্রতি মনোযোগ থাকে না।
* অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা খাবার: খাবার খুব গরম বা ঠান্ডা হলেও শিশুরা খেতে চায় না।
৪. বৃদ্ধি ও বিকাশের স্বাভাবিক পর্যায়:
* বৃদ্ধির গতি কমে যাওয়া: সাধারণত এক বছর বয়সের পর শিশুদের বৃদ্ধির গতি কিছুটা কমে যায়। তাই তাদের আগের মতো ক্যালোরির প্রয়োজন হয় না এবং খাওয়ার পরিমাণও কমে যেতে পারে। এটা অনেক বাবা-মা বুঝতে না পেরে চিন্তিত হন।
কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি:
শিশুর ওজন ও বৃদ্ধি যদি স্বাভাবিক থাকে, তাহলে অল্প খাওয়া নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তা করার কারণ নেই।
যদি শিশু হঠাৎ করে খাওয়া একদম কমিয়ে দেয়, ওজন কমতে থাকে বা অসুস্থ মনে হয়, তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
মনে রাখবেন, প্রতিটি শিশুই আলাদা, তাই তাদের খাওয়ার রুচি ও অভ্যাসও ভিন্ন হতে পারে। ধৈর্য ধরে, ভালোবাসা দিয়ে এবং বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে শিশুকে খাওয়ানোর চেষ্টা করতে হবে।
