Description
Mediitem 32 (নাকের পলিপাস)
Mediitem 32 (নাকের পলিপাস) ওজন ১৫০ গ্রাম পাউডার, ওজন ১০০ এম এল টিংচার (লিকুইড)
🛑 অর্ডার করার জন্য
নাম:-
জেলা:-
থানা:-
গ্রাম/এলাকা:-
ফোন নাম্বার:-
এগুলো দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
🚛আমরা পৌঁছে দিব ইনশাল্লাহ।
কল 01845-166188
নাকের পলিপাস
নাকের পলিপাস একটি প্রচলিত রোগ, যা নাকের ভেতরের শ্লেষ্মা ঝিল্লি (mucous membrane) থেকে আঙ্গুরের মতো দেখতে নরম মাংসপিণ্ডের সৃষ্টি করে। এগুলো সাধারণত ব্যথাহীন এবং ক্যান্সারবিহীন (non-cancerous) হয়ে থাকে। নাকের এক বা উভয় পাশে পলিপাস হতে পারে এবং এটি সাইনাসের ভেতরেও বিস্তৃত হতে পারে।
নাকের পলিপাসের সাধারণ লক্ষণসমূহ:
নাক বন্ধ থাকা: এটি সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ। এক বা উভয় নাক বন্ধ থাকতে পারে।
নাক দিয়ে পানি পড়া: অনবরত সর্দি বা পানি ঝরতে পারে।
ঘ্রাণশক্তি কমে যাওয়া বা সম্পূর্ণ চলে যাওয়া: পলিপাসের কারণে ঘ্রাণ নেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়।
স্বাদ গ্রহণে সমস্যা: ঘ্রাণশক্তি কমে যাওয়ায় খাবারের স্বাদও ঠিকমতো পাওয়া যায় না।
মাথাব্যথা: বিশেষ করে কপালের দিকে বা মুখের ওপর চাপ অনুভব হতে পারে।
নাক ডাকা: ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার প্রবণতা বেড়ে যায়।
গলার পেছনের দিকে কিছু গড়িয়ে পড়া (Post-nasal drip): ঘন ঘন কফ বা শ্লেষ্মা গলার ভেতরে যেতে পারে।
মুখে বা কপালে ব্যথা অথবা চাপ অনুভব করা।
বারবার সাইনাস ইনফেকশন (Sinusitis) হওয়া।
হাঁচি ও কাশি।
নাকের পলিপাসের কারণ:
নির্দিষ্ট কারণ সবসময় জানা না গেলেও কিছু বিষয় পলিপাস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়:
দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ: নাকের ঝিল্লি বা সাইনাসে দীর্ঘদিনের প্রদাহ, যেমন ক্রনিক সাইনোসাইটিস।
অ্যালার্জি: ধুলোবালি, ফুলের রেণু বা অন্যান্য অ্যালার্জেনের প্রতি সংবেদনশীলতা (অ্যালার্জিক রাইনাইটিস)।
অ্যাজমা (হাঁপানি): অ্যাজমা রোগীদের মধ্যে পলিপাস হওয়ার প্রবণতা বেশি।
অ্যাসপিরিন সংবেদনশীলতা (Aspirin sensitivity): কিছু লোক অ্যাসপিরিন বা অন্যান্য NSAID (নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ) জাতীয় ঔষধের প্রতি সংবেদনশীল হন, যা পলিপাস তৈরি করতে পারে (AERD বা Samter’s Triad)।
সিস্টিক ফাইব্রোসিস (Cystic Fibrosis): এটি একটি বংশগত রোগ যা ফুসফুস এবং পাচনতন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং পলিপাস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে।
কিছু ছত্রাকজনিত সংবেদনশীলতা (Allergic fungal sinusitis)।
বংশগত কারণ: পরিবারের কারো পলিপাস থাকলে অন্যদেরও হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
ভিটামিন ডি-এর অভাব।
নাকের পলিপাস রোগ নির্ণয়:
শারীরিক পরীক্ষা: ডাক্তার রোগীর লক্ষণ এবং রোগের ইতিহাস জেনে নাকের ভেতরের অংশ পরীক্ষা করেন। অনেক সময় টর্চলাইট বা সাধারণ যন্ত্রের মাধ্যমেই পলিপাস দেখা যায়।
ন্যাসাল এন্ডোস্কোপি (Nasal Endoscopy): একটি সরু, নমনীয় নল যার মাথায় ক্যামেরা ও আলো লাগানো থাকে, সেটি নাকের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে পলিপাস এবং সাইনাসের অবস্থা ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
সিটি স্ক্যান (CT Scan): পলিপাসের আকার, অবস্থান এবং সাইনাসের ভেতরের অবস্থা বিস্তারিতভাবে দেখার জন্য সিটি স্ক্যান করা হতে পারে।
অ্যালার্জি পরীক্ষা: অ্যালার্জির কারণ জানতে স্কিন প্রিক টেস্ট বা রক্ত পরীক্ষা করা হতে পারে।
নাকের পলিপাস রোগ প্রতিকার ও প্রতিরোধ:
অ্যালার্জি ও অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
নাক পরিষ্কার রাখতে স্যালাইন পানি (লবণ পানি) দিয়ে নাক ধুতে পারেন (Nasal wash/irrigation)।
ধূমপান ত্যাগ করুন এবং ধুলোবালি ও উত্তেজক রাসায়নিক পদার্থ এড়িয়ে চলুন।
ঘরের বাতাস আর্দ্র রাখতে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন, বিশেষত শুষ্ক আবহাওয়ায়।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ঔষধ ব্যবহার করুন, এমনকি উপসর্গ কমে গেলেও।
অ্যাসপিরিন সংবেদনশীলতা থাকলে অ্যাসপিরিন ও NSAID জাতীয় ঔষধ এড়িয়ে চলুন।
