Sale!

Mediitem 25, চুল পাকা ও পরা বন্ধ করে এবং নতুন গজায়

Original price was: 800.00৳ .Current price is: 500.00৳ .

Mediitem 25 ( HairCure New Update )  450 ml, চুল পাকা ও চুল পরা বন্ধ করে

Description

চুল পাকা ও চুল পরা বন্ধ করে এবং নতুন গজায়

Mediitem 25,  450 ml ( চুল পড়ার চিকিৎসা প্যাকেজ )

👉প্রায় 40 টি ন্যাচারাল উপাদান দিয়ে তৈরি ।
👉ওজন 450 এম এল টিংচার (লিকুইড) বাহ্যিক ব্যবহার।
WhatsApp 01722 13 82 59

==============
🛑ব্যবহারবিধি-
✅ চুলের গোড়ায় ব্যবহার করুন।

HairCure এর উপকারিতা

⭐কোন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া ⭐
✅ চুলের গোড়া শক্ত ও মজবুত করবে।
✅ পাতলা চুলকে ঘন করে।
✅ খুশকি প্রতিরোধী
✅ চুলের ঝট থেকে মুক্তি দেয়।
✅ মাথা ঠান্ডা রাখে।
✅ অকালে চুল পাকা বন্দো করবে।
✅ রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে
✅ স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে
✅ মাইগ্রেনের কষ্ট কমায়
✅ চু ল ঘন, কালো, ল ম্বা করে ।
✅ বাচ্চা হওয়ার পরে চুল পড়া বন্ধ করে।
✅ চুল পাকা বন্ধ করে।
✅ অল্প বয়সে চু ল পাকলে তাহা কালো হয়।
✅ নতুন চুল গজায়।
✅ চু লে ভিটামিন সি ও ভিটামিন-ই এর যোগান দেয়।

======

🛑 অর্ডার করার জন্য
নাম:-
জেলা:-
থানা:-
গ্রাম/এলাকা:-
ফোন নাম্বার:-
এগুলো দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
🚛আমরা পৌঁছে দিব ইনশাল্লাহ।
কল 01845-166188

চুল কেন পরে বিস্তারিত

চুল পড়ার বিষয়টি বেশ জটিল এবং এর পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। “শুধুমাত্র চুল কেন পরে” এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে আমাদের চুলের বৃদ্ধি চক্র এবং বিভিন্ন প্রভাবক বিষয়গুলো বুঝতে হবে।
চুলের বৃদ্ধি চক্র (Hair Growth Cycle):
প্রতিটি চুলের ফলিকল একটি নির্দিষ্ট চক্রের মধ্যে দিয়ে যায়:
১. অ্যানাজেন (Anagen) বা বৃদ্ধি পর্যায়: এই পর্যায়ে চুল সক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি পায়। এটি ২ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। মাথার প্রায় ৮৫-৯০% চুল এই পর্যায়ে থাকে।
২. ক্যাটাজেন (Catagen) বা রূপান্তর পর্যায়: এটি একটি সংক্ষিপ্ত পর্যায় (২-৩ সপ্তাহ) যেখানে চুলের বৃদ্ধি থেমে যায় এবং ফলিকল সংকুচিত হতে শুরু করে।
৩. টেলোজেন (Telogen) বা বিশ্রামের পর্যায়: এই পর্যায়ে চুল প্রায় ২-৪ মাস ধরে বিশ্রাম নেয়। এই সময়ে চুলের গোড়া আলগা হয়ে যায়। মাথার প্রায় ১০-১৫% চুল এই পর্যায়ে থাকে।
৪. এক্সোজেন (Exogen) বা ঝরে পড়ার পর্যায়: এটি টেলোজেন পর্যায়েরই অংশ বা সমাপ্তি, যেখানে পুরনো চুল ঝরে পড়ে এবং নতুন চুল গজানোর জন্য জায়গা করে দেয়। প্রতিদিন প্রায় ৫০-১০০টি চুল পড়া স্বাভাবিক, কারণ এই চুলগুলো তাদের চক্র সম্পন্ন করেছে।
চুল পড়ার বিস্তারিত কারণসমূহ:
১. বংশগত কারণ (Androgenetic Alopecia):
* এটি চুল পড়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ, যা পুরুষদের ক্ষেত্রে টাক এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার (female pattern hair loss) জন্য দায়ী।
* জিনগত প্রবণতা এবং অ্যান্ড্রোজেন (পুরুষ হরমোন, যা মহিলাদের শরীরেও অল্প পরিমাণে থাকে) নামক হরমোনের প্রভাবে এটি ঘটে। ডাইহাইড্রোটেস্টোস্টেরন (DHT) নামক একটি অ্যান্ড্রোজেন চুলের ফলিকলকে সংকুচিত করে, যার ফলে চুল ছোট ও পাতলা হয়ে যায় এবং অবশেষে বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়।
২. হরমোনের পরিবর্তন:
* গর্ভাবস্থা ও প্রসব: গর্ভাবস্থায় ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় চুল কম পড়ে। কিন্তু প্রসবের পর হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলে জমে থাকা চুলগুলো একবারে ঝরে পড়তে শুরু করে (Telogen Effluvium)।
* মেনোপজ: মেনোপজের সময় ইস্ট্রোজেন কমে যাওয়া এবং অ্যান্ড্রোজেনের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেড়ে যাওয়ায় চুল পাতলা হতে পারে।
* থাইরয়েড সমস্যা: হাইপোথাইরয়েডিজম (থাইরয়েড হরমোন কম) বা হাইপারথাইরয়েডিজম (থাইরয়েড হরমোন বেশি) উভয়ই চুল পড়ার কারণ হতে পারে।
* পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS): এই অবস্থায় অ্যান্ড্রোজেন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়, যা চুল পড়ার কারণ হতে পারে।
৩. শারীরিক অসুস্থতা:
* অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা (Alopecia Areata): এটি একটি অটোইমিউন রোগ যেখানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা চুলের ফলিকলকে আক্রমণ করে, ফলে মাথার কিছু অংশে গোল গোল হয়ে চুল পড়ে যায়।
* মাথার ত্বকের সংক্রমণ: দাদ (ringworm) বা অন্যান্য ছত্রাকজনিত সংক্রমণ চুল পড়ার কারণ হতে পারে।
* গুরুতর অসুস্থতা বা অস্ত্রোপচার: বড় ধরনের অসুস্থতা, জ্বর বা অস্ত্রোপচারের কয়েক মাস পর অতিরিক্ত চুল পড়তে পারে (Telogen Effluvium)।
* কিছু অটোইমিউন রোগ: যেমন লুপাস।
৪. ঔষধ এবং চিকিৎসা:
* ক্যান্সারের চিকিৎসা (কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন থেরাপি)।
* রক্ত ​​পাতলা করার ঔষধ (blood thinners)।
* কিছু বিষণ্ণতারোধী ঔষধ।
* উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ (যেমন বিটা-ব্লকার)।
* জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি (শুরু করা বা বন্ধ করা)।
৫. পুষ্টির অভাব:
* আয়রন (Iron): আয়রনের অভাব (অ্যানিমিয়া) চুল পড়ার একটি সাধারণ কারণ।
* প্রোটিন (Protein): চুলের প্রধান উপাদান কেরাটিন, যা প্রোটিন দিয়ে তৈরি। প্রোটিনের অভাবে চুলের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
* জিঙ্ক (Zinc) এবং বায়োটিন (Biotin): এই পুষ্টি উপাদানগুলো চুলের স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি।
* ভিটামিন ডি (Vitamin D): এর অভাবেও চুল পড়তে পারে।
* হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া বা ক্র্যাশ ডায়েট: শরীরে পুষ্টির আকস্মিক ঘাটতি চুল পড়ার কারণ হতে পারে।
৬. মানসিক চাপ (Stress):
* তীব্র শারীরিক বা মানসিক চাপ (যেমন প্রিয়জনের মৃত্যু, চাকরি হারানো, দুর্ঘটনা) টেলোজেন এফ্লুভিয়াম নামক অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে, যেখানে প্রচুর চুল বিশ্রামের পর্যায়ে চলে যায় এবং কয়েক মাস পর ঝরে পড়ে।
৭. চুলের যত্ন এবং স্টাইল:
* ট্র্যাকশন অ্যালোপেসিয়া (Traction Alopecia): খুব টেনে চুল বাঁধা (যেমন টাইট পনিটেল, বেণী) বা হেয়ার এক্সটেনশন ব্যবহারের ফলে চুলের গোড়ায় ক্রমাগত টান লাগে এবং চুল পড়ে যেতে পারে।
* রাসায়নিক চিকিৎসা: অতিরিক্ত রঙ করা, পার্মিং, স্ট্রেইটনিং বা রিবন্ডিং চুলের ক্ষতি করে এবং চুল ভেঙে যাওয়ার বা পড়ার কারণ হতে পারে।
* অতিরিক্ত হিট স্টাইলিং: হেয়ার ড্রায়ার, কার্লার বা স্ট্রেইটনারের অতিরিক্ত ব্যবহার চুলকে দুর্বল ও ভঙ্গুর করে তোলে।
৮. বয়স:
* বয়স বাড়ার সাথে সাথে চুলের ফলিকলগুলো দুর্বল হয়ে যায়, চুলের বৃদ্ধি কমে যায় এবং চুল পাতলা হতে শুরু করে। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
৯. পরিবেশগত কারণ:
* দূষণ এবং কিছু পরিবেশগত টক্সিন চুলের স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।